× Banner
সর্বশেষ
আজ শ্রীশ্রীব্যাস পূজা ও গুরুপুর্ণিমা, জেনে নিন কেন গুরুপুর্ণিমা আজ বুধবার (২৯ জুলাই) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে তা বেশ কৌতুহলের আজ ২৯ জুলাই  বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক – ১৫ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ নবীগঞ্জে আমগাছ থেকে ঝুলন্ত যুবকের মরদেহ উদ্ধার কৃষিখাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চার মাসের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল করার নির্দেশ রাজধানীর লালবাগে ২৪ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বেইজিং – চীনা রাষ্ট্রদূত এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল ‘সুখের খামার’

আজ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১২৯ তম প্রয়াণ দিবস

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২০

বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ১২৯ তম প্রয়াণবার্ষিকী আজ। ১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই ইহলোক ত্যাগ করেন তিনি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেন ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর বর্তমানে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে। তার প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পান্ডিত্যের জন্য প্রথম জীবনেই লাভ করেন বিদ্যাসাগর উপাধি। বাংলা ও ইংরেজিতেও বিশেষ দখল ছিল তার।

পাঁচ বছর বয়সে সনাতন বিশ্বাসের পাঠশালায় বিদ্যাসাগরের পড়াশোনা শুরু। আট বছর বয়সে বাবার সঙ্গে হেঁটে তিনি কলকাতা যান এবং শিবচরণ মল্লিকের পাঠশালায় এক বছর পড়েন।

পরে সংস্কৃত কলেজে ১২ বছর অধ্যয়ন করেন এবং ব্যাকরণ, কাব্য, অলংকার, বেদান্ত, স্মৃতি ন্যায় ও জ্যোতিষশাস্ত্রে পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। এসব বিষয়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই তিনি ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন। পড়ালেখা শেষে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড পণ্ডিত পদে যোগ দেন। পাঁচ বছর পর সংস্কৃত কলেজের সহকারী সম্পাদক পদে যোগ দেন।

তিনি রচনা করেছেন জনপ্রিয় শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয় সহ, একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ। সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ সাহিত্য ও জ্ঞানবিজ্ঞান সংক্রান্ত বহু রচনা।

অন্যদিকে বিদ্যাসাগর মহাশয় ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারকও। বিধবা বিবাহ ও স্ত্রীশিক্ষার প্রচলন, বহুবিবাহ ও বাল্য বিবাহের মতো সামাজিক অভিশাপ দূরীকরণে তার অক্লান্ত সংগ্রাম আজও স্মরিত হয় যথোচিত শ্রদ্ধার সঙ্গে। বাংলার নবজাগরণের এই পুরোধা ব্যক্তিত্ব দেশের আপামর জনসাধারণের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘দয়ার সাগর’ নামে। দরিদ্র, আর্ত ও পীড়িত কখনই তার দ্বার থেকে শূন্য হাতে ফিরে যেত না। এমনকি নিজের চরম অর্থসংকটের সময়ও তিনি ঋণ নিয়ে পরোপকার করেছেন।

সংস্কৃত কলেজ তার সংস্কৃত শিক্ষার সংস্কার প্রস্তাব অগ্রাহ্য করলে তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে ফিরে আসেন। অবশ্য পরে শর্ত মানার আশ্বাস পেয়ে তিনি সংস্কৃত কলেজে ফিরেছিলেন।

বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের প্রথম সার্থক রূপকার। তিনি জনপ্রিয় শিশুপাঠ্য বর্ণপরিচয়সহ একাধিক পাঠ্যপুস্তক, সংস্কৃত ব্যাকরণ গ্রন্থ ও সংস্কৃত, হিন্দি ও ইংরেজি থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বই বাংলায় অনুবাদ করেছেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ : ‘বর্ণপরিচয়’, ‘সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা’, ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’, ‘বিধবা বিবাহ চলিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব’ প্রভৃতি। অনুবাদ : ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ (হিন্দি থেকে), ‘শকুন্তলা’, ‘সীতার বনবাস’, ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (শেকসপিয়ারের কমেডি অব এরস)।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..