× Banner
সর্বশেষ
আজ বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস (World Brain Day), জেনে নিন মানিসক স্বাস্থ্য ভালো রাখার টিপস ১৭ জেলার নদীবন্দরে ঝড়ের সতর্কতা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস আজ বুধবার (২২ জুলাই) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ২২ জুলাই  বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক

আহবান করে মায়ের পুজা করে আনন্দের সাথে বিসর্জনের আসল মানে কি?

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ৯ অক্টোবর, ২০১৯

রাই-কিশোরী: বর্তমান সমাজে কিছু স্বল্প জ্ঞানী পণ্ডিত মূর্খরা বা কিছু রুপধারী ভণ্ডরা দুর্গা পুজা ও বিসর্জন নিয়ে নানা কুৎসা ও বাজে মন্তব্য করছেন সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক সহ বিভিন্ন জায়গায়। তাতে করে ভক্তের মনে দুঃখ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আর সেই সুযোগ নিয়ে বিভিন্ন কুচক্রী মহল সনাতন ধর্মের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ক্রমাগত।

সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যে মাটির মূর্তির পুজা করে সেটা আসলে কি? পুজা শেষে যে বিসর্জন দেয়া হয় তাহলে কি মা মারা যায়? যাকে আহব্বান করে মর্তে আনা হচ্ছে ৫ দিন পর তাকে কেন হাসতে হাসতে বিসর্জন দেয়া হচ্ছে?- এই রকম নানা প্রশ্ন রয়েছে অন্যান্য দের পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মনেও।

আসলে মায়ের যে বিসর্জন দেয়া হাসতে হাসতে খুশি মনে সেটা মরা প্রতিমা জলে ভাসিয়ে দেয়া নয়। সেটা হল ক্রিয়ার দ্বারা কুণ্ডলিনী শক্তি ষটচক্র ও গ্রন্থিত্রয় ভেদ করে সহস্রসারে ব্রহ্মরন্ধ্রে লীন হলে সর্ববৃত্তিনিরোধরূপ সমাধি দ্বার মায়ের নির্গুণ চৈতন্যস্বরূপের উপলব্ধি

ষষ্ঠীতে দেবীর বোধন অর্থাৎ মূলাধারে কুণ্ডলিনী শক্তির ধ্যান করে কুণ্ডলিনী শক্তির জাগরণ ও মূলাধার ভেদ করে স্বাধিষ্ঠানে স্থাপন। সপ্তমীতিথিতে স্বাধিষ্ঠান ভেদ করে মনিপুর চক্রে অবস্থান করে। অষ্টমীতিথিতে দ্বাদশদল অর্থাৎ হৃদপদ্মে অনাহতচক্রে অবস্থিত বিষ্ণুগ্রন্থির ভেদ। নবমী পূজার দ্বারা ভ্রুমধ্যে দ্বিদলচক্রে অবস্থিত রুদ্রগ্রন্থির ভেদ। এইপর্য্যন্ত সগুণ রূপদর্শন।

এরপর দশমী পূজার দ্বারা নাম ও রূপই রূপের বিসর্জন অর্থাৎ ক্রিয়ার দ্বারা কুণ্ডলিনী শক্তি ষটচক্র ও গ্রন্থিত্রয় ভেদ করে সহস্রসারে ব্রহ্মরন্ধ্রে লীন হলে সর্ববৃত্তিনিরোধরূপ সমাধি দ্বার মায়ের নির্গুণ চৈতন্যস্বরূপের উপলব্ধি। এই অবস্থায় জীবাত্মা আর পরমাত্মায় মিলে একাকার হয়ে একত্বের অনুভব হয়।

সাধকের সমাধিভঙ্গের পর “সর্বং ব্রহ্মময়ং জগৎ” অর্থাৎ সমস্তই ব্রহ্মময় অনুভব করেন এবং তখন আত্মভাবে সকলকে প্রেমে আলিঙ্গন করতে থাকেন। এজন্যই আমাদের দেশে মুর্ত্তিবিসর্জনের পর আলিঙ্গনের প্রথা প্রচলিত আছে। কুণ্ডলী উপনিষদে উল্লেখ আছে- “জ্বলনাঘাত পবনাঘাতোরুন্নিদ্রিতোহহিরাট্‌। ব্রহ্মগ্রন্থিং ততো ভিত্ত্বা বিষ্ণুগ্রন্থিং ভিনত্ত্যতঃ।। রুদ্রগ্রন্থিং চ ভিত্ত্বৈর কমলানি ভিনত্তি ষট্‌ সহস্র কমলে শক্তিঃ শিবেন সহ মোদতে সৈবাবস্থা পরা জ্ঞেয়া সৈব নিবৃত্তিকারনী।।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..