বাংলাদেশসহ ২০টি দেশ ও অঞ্চল থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট বিশেষায়িত ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানে শূন্য শুল্ক সুবিধা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বাণিজ্য বিভাগের ব্যুরো অব ইন্ডাস্ট্রি অ্যান্ড সিকিউরিটি (বিআইএস) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ সুবিধার আওতাভুক্ত দেশ ও পণ্যের তালিকা দেওয়া হয়েছে।
বিআইএসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিরল রোগের ওষুধ, নিউক্লিয়ার মেডিসিন, প্লাজমা থেকে উৎপাদিত চিকিৎসা উপাদান, বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধ, সেল ও জিন থেরাপি এবং অ্যান্টিবডি-ড্রাগ কনজুগেটসহ বিভিন্ন বিশেষায়িত ফার্মাসিউটিক্যাল পণ্য শূন্য শুল্কের আওতায় আসতে পারে। রাসায়নিক, জৈবিক, তেজস্ক্রিয় ও পারমাণবিক হুমকি মোকাবিলায় ব্যবহৃত কিছু চিকিৎসা উপাদান এবং প্রাণিচিকিৎসার নির্দিষ্ট পণ্যও এ সুবিধার অন্তর্ভুক্ত।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২ এপ্রিলের ঘোষণার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পেটেন্টযুক্ত ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদানে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কাঠামো করা হয়েছিল। তবে নির্দিষ্ট বিশেষায়িত ওষুধের ক্ষেত্রে শর্তসাপেক্ষে শূন্য শুল্কের বিধান রাখা হয়।
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, যেসব পণ্য এমন দেশ বা অঞ্চল থেকে আসে, যাদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান বা ভবিষ্যৎ বাণিজ্য ও নিরাপত্তা কাঠামো চুক্তি রয়েছে, সেগুলো নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে শূন্য শুল্ক সুবিধা পেতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের জরুরি স্বাস্থ্যচাহিদা পূরণে প্রয়োজনীয় কিছু বিশেষায়িত ওষুধের ক্ষেত্রেও এ সুবিধার জন্য অনুমোদনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
এই তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি রয়েছে আর্জেন্টিনা, কম্বোডিয়া, ইকুয়েডর, এল সালভাদর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, গুয়াতেমালা, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, জর্ডান, মালয়েশিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, সুইজারল্যান্ড ও লিশটেনস্টাইন, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড, যুক্তরাজ্য এবং ভিয়েতনাম।
তবে সব ধরনের ওষুধ এ সুবিধার আওতায় পড়বে না। নির্দিষ্ট তালিকায় না থাকা পেটেন্টযুক্ত সাধারণ ওষুধের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ শুল্ক বহাল থাকতে পারে। অন্যদিকে জেনেরিক ওষুধ ও সংশ্লিষ্ট উপাদান বর্তমানে এই সেকশন ২৩২ শুল্কের আওতামুক্ত রয়েছে।





