প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেছেন, নৈতিক শিক্ষা, ইসলামিক শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষা থেকে দূরে সরে যাওয়ার কারণে সামাজিক অবক্ষয় ঘটে। তাই সামাজিক অবক্ষয় রোধ করতে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে।
আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘হিফযুল কুরআন অ্যাওয়ার্ড ও কুরআন উৎসব ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, আমরা যদি দ্বীনি শিক্ষা থেকে পিছিয়ে যাই তবে তা জাতির জন্য কোন মঙ্গল বয়ে আনবে না। ধর্মীয় মূল্যবোধ ছাড়া আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। তাই আগামী দিনের শিক্ষা ব্যবস্থার মাঝে ধর্মীয় মূল্যবোধের অন্তর্ভুক্তির কোন বিকল্প নেই। এজন্য আমাদেরকে ধর্মীয় শিক্ষায় আরো গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আজকের পৃথিবীতে টিকে থাকতে হলে শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করতে হবে। এজন্য ধর্মীয় শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ আধুনিক শিক্ষার সমন্বয়ে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গড়ে তুলতে হবে। মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়নে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে বলেও তিনি এ সময় উল্লেখ করেন।
মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যে এদেশের প্রচুর সংখ্যক প্রবাসী রয়েছেন। তারা যদি আরবি ভাষায় দক্ষতা অর্জন করতে পারে তাহলে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরো অনেক বৃদ্ধি করা সম্ভব।
অনুষ্ঠানে তানযীমুল উম্মাহ ফাউন্ডেশন পরিচালিত প্রতিষ্ঠানসমূহ থেকে হিফয সমাপনকারী ১৭৫৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ মাওলানা জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে তানযীমুল উম্মাহ আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাগত বক্তব্য রাখেন।





