শিল্পখাতের চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দিয়ে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে ডিমান্ড-বেসড ট্রেনিং এবং পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (PPP) ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
তিনি বলেন, অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সরকারি প্রতিষ্ঠানের তুলনায় ভালো কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আজ চট্টগ্রামে বাংলাদেশ-কোরিয়া কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (BKTTC) এবং মহিলা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আরও দক্ষ কর্মী তৈরির সুযোগ কীভাবে বাড়ানো যায়, তা নিয়ে মন্ত্রণালয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা ও আলোচনা করা হবে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ধরন ও সংশ্লিষ্ট খাতে প্রয়োজনীয় দক্ষতা চিহ্নিত করে সেই অনুযায়ী প্রশিক্ষণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি জানান, কোনো এলাকায় কী ধরনের শিল্প রয়েছে এবং সেখানে কী ধরনের দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন—এসব বিষয় বিশ্লেষণ করে প্রশিক্ষণের বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা হবে। চট্টগ্রাম থেকেই এ ধরনের কার্যক্রমের একটি পাইলট প্রোগ্রাম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
প্রেস ব্রিফিংয়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতদের নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধানে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে কোন দেশে কোন ধরনের কর্মীর চাহিদা রয়েছে, তা চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, বিদেশের শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে দক্ষ জনশক্তি তৈরি ও বিদেশে কর্মী পাঠানোর সুযোগ আরও বাড়বে।
এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক মো. ফরহাদ সিদ্দিক এবং শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুছ সামাদ আল আজাদ উপস্থিত ছিলেন।





