× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি

খালেদা জিয়ার অরফানেজ দুর্নীতির মামলায় কামালের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য, পরবর্তী শুনানি আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৭

অসিত কুমার ঘোষ (বাবু)::  জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট এবং চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশীবাজারস্থ ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. মোঃ আকতারুজ্জামান নতুন এ তারিখ ধার্য করেন। মামলার প্রধান আসামী খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য বিদেশে থাকায় তার পক্ষে সময়ের আবেদন করিলে বিজ্ঞ আদালত তা মঞ্জুর করেন।

আদালতে আসামী কাজী সলিমুল হক কামালের পক্ষে জিয়া অরফানেজ ট্রস্ট মামলায় দুই জন সাক্ষী সাফাই সাক্ষ্য প্রদান করেন। এরা হলেন, আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ এবং প্রাইম ব্যাংকের অফিসার জাহাঙ্গীর কবির। উক্ত সাক্ষীদ্বয় আদালতে সাফাই সাক্ষ্যে জবানবন্দি দেওয়ার পর দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর মোশারফ হোসেন কাজল সাক্ষীদের জেরা করেন। জেরা শেষে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর পরবর্তী শুনানি দিন ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৩ আসামির জামিন বাতিল হবে কি হবে না এ বিষয়ে বৃহস্পতিবারও আদেশ প্রদানের তারিখ ধার্য থাকলেও এদিন আদেশ দেয়নি বিজ্ঞ আদালত। গত ৩ আগস্ট আদালতে ৩ আসামীর জামিন বাতিলের বিষয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক। মামলার আসামী বিএনপি নেতা হারিছ চৌধুরী এবং তার একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

অন্যদিকে এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে।

চার্জশিটে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সাবেকসচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়। উভয় মামলায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় চার্জ গঠন করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..