× Banner
সর্বশেষ
কৃষিখাতে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চার মাসের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ডিজিটাল এলিভেশন মডেল করার নির্দেশ রাজধানীর লালবাগে ২৪ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ বাংলাদেশের সঙ্গে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী বেইজিং – চীনা রাষ্ট্রদূত এক হাজার ফাউন্ডারকে জমির দলিল দিল ‘সুখের খামার’ প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ গুনভর ইউএসএর কাছ থেকে ১৩ বছরের এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ উন্নয়নকাজে অনিয়ম করলে ঠিকাদারকে কালোতালিকাভুক্ত করা হবে – গৃহায়ণ প্রতিমন্ত্রী সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

আজ মনসা পূজা

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৭ আগস্ট, ২০১৭

দি নিউজ ডেস্কঃ আজ মনসা পূজা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের
অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। প্রতিবছর
বাংলা শ্রাবণ মাসের শেষ তারিখে
এই পূজা পালন করে সনাতন ধর্মীয়রা।
এই পূজার মূল প্রতিপাদ্য হল মা মনসার
উদ্দেশ্যে পাঁঠা (মর্দ ছাগল) বলির
মাধ্যমে মানুষের মনের পশুকে দমন করা।
হিন্দু ধর্মমতে মনসা হচ্ছে সাপের
দেবী। এ দেবীর পূজা করলে ঘর-বাড়ি
বিষাক্ত সাপ হতে রক্ষা পায়। দেবীর
সারা গায়ে অলংকার হিসেবে
বিভিন্ন সাপ জড়ানো থাকে। এছাড়া
মানুষের মনের পশু দমনে এ দেবীর
উদ্দেশ্যে পাঁঠা বলি করা হয়। দেবী
মনসার বিভিন্ন কীর্তি মনসা পুঁথিতে।
বর্ণিত রয়েছে। মনসা পূজার আগে প্রায়
একমাস ধরে এ পুঁথি পাঠ করেন হিন্দু
মেয়েরা। সাধারণত ১০ থেকে ১৫ জনের
একটি দল করে গানের সুর করে পুঁথি
পাঠ করা হয়। গ্রামাঞ্চলের
পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন স্থানেও
বিশেষভাবে পুঁথি পাঠের আয়োজন
করা হয়। মনসা পূজার আগে অবশ্যই এ
পুঁথি পাঠ শেষ করার বাধ্যবাধকতা
রয়েছে। অনেক হিন্দু ধর্মাবলম্বী মনসা
পূজায় পাঁঠা বলি করেন না। তারা দুধ-
কলা ও ফলমূল দিয়ে দেবীর পূজা করেন।
এই পূজাকে ‘সাদা পূজা’ বলা হয়। যারা
মায়ের উদ্দেশ্যে পাঁঠা বলি দেন
তাদের পূজাকে বলা হয় ‘লাল পূজা’।
দেবীর উদ্দেশ্যে যে পাঁঠাগুলো বলি
করা হয় বলির পর সেগুলোর সবগুলোর
দেহ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে একটি
পাত্রে রাখা হয় এবং দেবী মনসার
পায়ের নিচে রাখা হয়। এতে করে বলি
করা পশুটি দেবীর নামে উৎসর্গ করা
হয়।
প্রতি বছরের মত এবারও চট্টগ্রাম ও
জেলার বিভিন্ন স্থানে পাঁঠা বলির
মাধ্যমে মনসা পূজা উদযাপন করা হবে।
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও নগরীর
সবচেয়ে বেশি পাঁঠা বলি হবে
চট্টেশ্বরী কালি মন্দিরে। এ মন্দিরে
এবার আনুমানিক আড়াই থেকে তিন
হাজার পাঁঠা বলি হবে বলে জানা
গেছে। এখানে সকালে দেবীর সাদা
পূজা সম্পন্ন করা হবে। পরে ভক্তদের
মাঝে প্রদান করা হবে অঞ্জলি। এরপর
শুরু হবে পাঁঠা বলি। এছাড়া সদরঘাট
কালি বাড়ি, গোসাইলডাঙ্গা কালি
বাড়ি, এনায়েত বাজার গোপাল পাড়া,
বেটারিগলির ধোপা পাড়া,
দামপাড়ার মুচি পাড়া, হেমসেনলেইন,
হাজারী গলি, নবগ্রহ বাড়ি,
চকবাজারের নরসিংহ আখড়া মন্দির,
টেরি বাজার, উত্তর ও দক্ষিণ নালা
পাড়া, পাথরঘাটাসহ নগরীর বিভিন্ন
স্থানে পাঁঠা বলি করা হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..