× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি

আইজিপি যা বললেন নারায়ণগঞ্জের অভিযান নিয়ে

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার: নারায়ণগঞ্জে জঙ্গি মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরীসহ তিনজন নিহত হওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে আইজিপি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

আইজিপি বলেন, ‘নিও জেএমবির শীর্ষ নেতা তামিম চৌধুরী। কিছু দিন আগে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে সংবাদ সম্মেলনে আমি তাকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য পুরস্কার ঘোষণা করি। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের কাছে তথ্য ছিল তামিম চৌধুরী নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করছে। এর ভিত্তিতে কাউন্টার টেররিজম ইউনিট, সোয়াত টিম ঘটনাস্থলে যায়। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশও সেখানে অবস্থান নেয়। মূল অপারেশন ছিল এক ঘণ্টার। অপারেশন শুরুর এক ঘণ্টার পর আমরা জঙ্গি আস্তানায় ঢুকে দেখি সেখানে তিনজন জঙ্গির মৃতদেহ পড়ে আছে। তাদের মধ্যে একজনের চেহারা আমাদের কাছে জঙ্গি মাস্টারমাইন্ড তামিম চৌধুরীর যে ছবি আছে, তার সঙ্গে হুবহু মিল যায়। এতে স্পষ্ট, সে-ই তামিম চৌধুরী।’

তিনি আরো বলেন, ‘ওখানে আমরা দেখেছি নিহত জঙ্গির একজনের সঙ্গে একটি একে২২ রাইফেল ছিল। আরেকজনের কাছে ছিল একটি পিস্তল। দু/তিনটি লাইভ গ্রেনেডও পড়ে আছে।’

আইজিপি বলেন, ‘পুলিশের বোম্ব ডিস্পোজাল গ্রুপ ঘটনাস্থলে কারজ করছে। তদন্ত শেষে আমরা প্রতিটি জঙ্গির ছবি পাব এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’

জঙ্গিরা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিল কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, ‘হ্যাঁ, করেছিল। আমি নির্দেশ দিয়েছিলাম, ওদের (জঙ্গিদের) বল সারেন্ডার করতে। যদি সারেন্ডার করে তবে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আস। তারা সারেন্ডার করেনি। তারা পুলিশের ওপর গ্রেনেড ছোড়ে, গুলি করে। আমরা পাশের ভবন থেকে স্নাইপার দিয়ে গুলি করি। ভবনের পেছন দিযে অপারেশন চালাই। এ অপারেশনের নাম দিই হিট স্টর্ম ২৭। আমরা নিশ্চিত হতে চেয়েছিলাম, ভেতরে জঙ্গি ছাড়া অন্য কেউ আছে কি না। নারী, শিশু আছে কি না। পরে দেখা যায়, অন্য কেউ ছিল না।’

শহীদুল হক বলেন, ‘ওষুধের ব্যবসা করে, এমন পরিচয় নিয়ে জঙ্গিরা এখানে বাসা ভাড়া নিয়েছিল। ঈদের পর তারা এখানে আসে। আনুমানিক এক মাস আগে জঙ্গিরা বাসা ভাড়া নেয়। কল্যাণপুরে জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের পর তারা এখানে এসেছিল।’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..