× Banner
সর্বশেষ
সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে খাল পূন:খনন শেষে পৌনে এক কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল মালয়েশিয়ায় ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও হালাল মাংস রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কৃষকলীগ নেতা গ্রেফতার দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতদের পরিবার পেল ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার অনুদান মুখ সামলান আর তা না হলে শরীর সামলাতে পারবেন না – এমপি খোকন তালুকদার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সাতক্ষীরায় গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা জামায়াত কর্মী

নিজস্ব প্রতিবেদক

আবর্জনা মুক্ত দেশ গড়তে সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬
আবর্জনা মুক্ত দেশ গড়তে সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
আবর্জনা মুক্ত দেশ গড়তে সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসুন আমরা সবাই মিলে চেষ্টা করি আমাদের দেশটাকে পরিষ্কার ও সুন্দর রাখতে। যা নিশ্চিত করবে আমাদের আগামী দিনের বংশধরদের জন্য একটি সুস্থ দেশ, সুস্থ পরিবেশ।

সোমবার (৩ আগস্ট) সকালে ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশবাসীর উদ্দেশ্যে এই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশের বিষয়টি সমাজের প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষকে স্পর্শ করে। ৪০ বা ৩০ বছর আগের তুলনায় বর্তমান সময়ে ঢাকা শহরসহ জেলা, উপজেলা ও গ্রামগঞ্জের রাস্তাঘাট এবং বাজার এলাকায় প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, ব্যবহৃত টিস্যুসহ নানাবিধ আবর্জনা যত্রতত্র ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে।

ময়লা আবর্জনা সঠিক উপায়ে ধ্বংস করার প্রতি গুরত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষই পায়ে হেঁটে চলে অথবা বাসে চলাচল করে। এই মানুষগুলো যখন রাস্তা পার হয়, বিভিন্ন জায়গায় যখন আবর্জনা জমে থাকে, ময়লা থাকে, এই মানুষগুলোর কিন্তু অনেক কষ্ট হয়।

বিভিন্ন জায়গায় অনেক দুর্গন্ধ হয়, আবর্জনা জমে থাকে। তবে আমরা যদি সকলে মিলে একটু সচেতন হই। যত্রতত্র আমাদের ব্যবহারকৃত আবর্জনা না ফেলে একটি নির্দিষ্ট জায়গায় জমা করি এবং নির্দিষ্ট উপায়ে যদি এটাকে পরে ধ্বংস করি, তাহলে যেমন আমাদের পরিবেশটি ভালো থাকবে ঠিক একইভাবে আমরা আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দরভাবে রাখতে পারব।

নিজের ঘরের পরিচ্ছন্নতার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘চিন্তা করে দেখুন তো আপনার ঘরে যে ঘরটিতে আপনি থাকেন, যে বাসাটিতে আপনি থাকেন, যদি চারিদিকে এমন তৃষ্ণ ছড়িয়ে থাকতো, যদি চারিদিকে এমন আবর্জনা ছড়িয়ে থাকতো, আপনার কাছে কি ভালো লাগতো দেখতে? নিশ্চয়ই না।

আমাদের কারো কাছেই ভালো লাগতো না। কবি তো সুন্দরভাবে লিখেছেন, সবুজ, শস্য শ্যামলা আমার ভুবন। তবে আমরা কেন আমাদের পরিবেশটাকে সুন্দর করতে পারবো না।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তার সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘গত কয়েক মাসে যখন আমি দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি হয়তো কোন একটি পুকুরের পাশ দিয়ে যাচ্ছি, দেখেছি পুকুরের ভিতরে বিভিন্ন রকম ময়লা স্তুুপ হয়ে পড়ে আছে। অথবা পুকুরপাড়ে বিভিন্ন ময়লা স্তুূপ হয়ে পড়ে আছে। অথচ একসময় এসব স্থানে মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে বসত ও গল্প করত।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন যাই তখন হয়তো যারা পরিচ্ছন্ন কর্মী তারা হয়তো পরিষ্কার করে রাখছে। কিন্তু আমরা যখন বেরিয়ে আসছি তখন আর সেটি আগের মতন পরিষ্কার থাকছে না।

যদি পরিষ্কার থাকতো আপনি যদি পরিষ্কার করে রেখে আসেন আপনার পরবর্তীতে যে যাবে সেও সেই পরিচ্ছন্নতার সুন্দর পরিবেশটি উপভোগ করতে পারবে।’

সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি আজকে থেকে প্রত্যেকে সচেতন হই আমাদের হাতের আবর্জনা বা ব্যবহৃত আবর্জনা যদি নির্দিষ্ট জায়গায় সুন্দরভাবে আমরা গুছিয়ে ফেলি তাহলে ধীরে ধীরে হয়তো আমরা আমাদের এই বাংলাদেশটাকে আবর্জনা মুক্ত করতে পারবো। সুন্দর একটি পরিবেশ গড়ে তুলতে পারবো।’

দেশ গঠনে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশটা তো আমাদের সকলের। আমরা সকলে মিলে যদি চেষ্টা করি তাহলে আমরা বড় কিছু করতে সক্ষম হব। প্রিয় দেশবাসী, আপনাদের কাছে আজকে এই সহযোগিতাটা আমি চাইছি।’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..