× Banner
সর্বশেষ
ক্ষমতা নয় মানুষের সেবা এই অঙ্গীকার ধারন করে নিরলসভাবে এগিয়ে চলেছেন মেয়র পদপ্রার্থী ইমদাদুল হক ইমদাদ শেখ হাসিনা ফিরলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে – আইনমন্ত্রী ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫২৯, উদ্ধার বিদেশি পিস্তল-গুলি,ম্যাগাজিন, মোবাইল ফোন ও একটি সুইচ গিয়ার চাকু বেজার বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক স্থাপনে ২১১ কোটি টাকার ব্যয় অনুমোদন প্রতিবন্ধী ৩ ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ইউনেস্কোর সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে চায় বাংলা‌দেশ বেনাপোল পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মফিজুর রহমান পিন্টুর গণসংযোগ বেনাপোল দৌলতপুর সিমান্ত থেকে ১৬৯ বোতল ভারতীয় নেশা জাতীয় সিরাপ উদ্ধার অপরাধীদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই, অন্যায় করলে কঠোর ব্যবস্থা: হাটহাজারীতে আইনশৃঙ্খলা সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে নীরবতা নয়, চাই সম্মিলিত উদ্যোগ

ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ -ভারতের হাইকমিশনার

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর

ঢাকা: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে ভারত। ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশ সরকারের প্রধানকে নয়াদিল্লিতে স্বাগত জানানোর জন্য ভারত আগ্রহের সঙ্গে অপেক্ষা করছে।

বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কবে ভারত সফর করবেন, সেটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশের সরকারের সিদ্ধান্ত ও প্রধানমন্ত্রীর সুবিধা-অগ্রাধিকারের ওপর নির্ভর করছে। তবে ভারতের পক্ষ থেকে তাঁকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও আগ্রহ রয়েছে।

সম্ভাব্য সফরের সময়সূচি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দুই দেশের পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়েই সফরটি অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এদিকে আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ওই সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ফলে এই সম্মেলনকে ঘিরেই সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করতে উচ্চপর্যায়ের এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

কূটনৈতিক মহলের মতে, ব্রিকস সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য এই সফর বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নতুন গতি সঞ্চার হতে পারে। পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতেও ইতিবাচক অগ্রগতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..