× Banner
সর্বশেষ
কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি স্বাস্থ্যসেবায় বৈষম্য দূর করতে ‘ন্যাশনাল হেলথ কার্ড’ চালু করছে সরকার – আইসিটি মন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু বলতেন,জাতিকে সঠিক দিশা দেওয়ার জন্য অবশ্যই একটি সঠিক শিক্ষানীতি দরকার!

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০১৬

মো. আমির সোহেল বিএ (অনার্স) ইতিহাস বিভাগ
কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ,মাদারীপুর: ১৯৭১ সালে বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর পর তিনি সেই যুদ্ববিধ্বস্ত দেশ গঠনের শুরুতেই বুঝতে পেরেছিলেন জাতিকে সঠিক পথের দিশা দেওয়ার জন্য অবশ্যই একটি সঠিক শিক্ষানীতি দরকার। বঙ্গবন্ধু আজ যদি বেচে থাকতেন, অবশ্যই কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাস্তবায়িত হতো।

তিনি কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে দ্রুত শিক্ষা কমিশন তৈরির প্রস্তাব দেন। বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনা অনুযায়ী স্বল্পতম সময়ে এই রিপোর্ট পেশ করেন। ১৯৭৪ সালে সেই কমিশনের রিপোর্ট বঙ্গবন্ধু হাতে পেয়ে বলেছিলেন, খুব দ্রুতই এর বাস্তবায়ন হবে। আমাদের আফসোস সে সময় আর তিনি পেলেন না। ১৯৭৫ সালে ১৫ই আগস্ট কালো রাতে একদল বিপদগামী সৈনিকের হাতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ছোট কন্যা রেহানা বাদে সপরিবারে শহিদ হন। এরপর থেকে আমাদের একটি কার্যত শিক্ষানীতির জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে প্রায় ৩৫ বছর, অবশেষে তারই কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালে আমাদের শিক্ষনীতি প্রণয়ন করেন। একটা জাতি কিভাবে উন্নয়ন করবে। যেখানে তার একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষানীতিই ছিলনা।

আমি নিশ্চিত বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এভাবে দেশ চলতে দিতেন না। তিনি খুব অল্পসময়ের মধ্যেই এর বাস্তবায়িত রুপ দিয়ে যেতে পারতেন জাতিকে। তাকে থামিয়ে দিয়ে মূলত তো এ জাতির অগ্রযাত্রাকে রোধ কওে দেওয়া হলো। বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার কিছুদিন পরপরই প্রাথমিক শিক্ষাকে জাতীয়করণ করে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারী শিক্ষাব্যবস্থার আওতায় নিয়ে আসেন। এর ফলে সবার জন্য অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা হয়। তিনি ছেলেমেয়ে সবার জন্য শিক্ষার সমান সুযোগ তৈরি কওে দিয়ে ছিলেন। সরকারি চাকুরিকে মেয়েদের যথাযথ সুযোগ দানের লক্ষ্যে কোটার ব্যবস্থা করেছেন। পাশাপাশি তিনি বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসন দিয়ে তাদের কাজের স্বাধীনতা দেন, তিনি মনে করতেন শিক্ষকদের জবাবদিহিতা থাকবে বিবেকের কাছে। দেশের প্রয়োজনে জাতির প্রয়োজনে তিনি একাধিক প্রকল্প হাতে নেন এবং প্রয়োজন অনুসারে অসেক নতুন বিভাগও খোলা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে। উচ্চশিক্ষাকে ঢেলে সাজাতে চেয়ে ছিলেন। বঙ্গবন্ধু প্রাথমিক শিক্ষা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পযর্ন্ত শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর রুপরেখা তৈরি করেছিলেন। পাশাপাশি জনসংখ্যার কথা ভেবে তিনি কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রবর্তন করেন। কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে এর বিস্তৃতি দেশব্যাপি ছড়িয়ে দিতে বিভিন্ন মহলে নির্দেশনা দেন। ভবিষ্যত প্রজন্মেও বেড়ে ওঠার জন্য যা দরকার তা চিন্ত করে মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৃত্তির ব্যবস্থা করে উৎসাহ দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর শহিদের মধ্যদিয়ে আসলে আমরা শিক্ষাক্ষেত্রসহ অনেক ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে পড়ি। বারবার চেষ্টা করা হয়েছে সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের। বর্তমান সরকারও একটি যুগোপযোগী শিক্ষানীতির আলোকে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এখন আমরা আশা করছি, বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের শিক্ষানীতি অনুসরণ করে আমরা আগামীদিনে সমৃদ্ব এক জাতি পাবো। এখন নতুন প্রজন্মের দিকে সবাই চেয়ে থাতে, আমিও আশাবাদী- আর তারাই উপহার দেবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..