× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

নিষিদ্ধ দলের কার্যক্রম চোখে পড়া জাতির ব্যর্থতা – সেতুমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬
নিষিদ্ধ দলের কার্যক্রম চোখে পড়া জাতির ব্যর্থতা - সেতুমন্ত্রী

নিষিদ্ধ একটি দলের কার্যক্রম বা তৎপরতা চোখে পড়া জাতির ব্যর্থতা বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার চর গলগলিয়া এলাকায় রেলপথ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘জনআকাঙ্ক্ষা ও জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে একটি রাজনৈতিক দল আজ পরিত্যক্ত, জনগণ কর্তৃক বর্জিত এবং সর্বশেষ নিষিদ্ধ হয়েছে।’

নিষিদ্ধ দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি আরও বলেন, ‘নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা চোখে পড়বে—এটা কাম্য নয়। একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের তৎপরতা যদি চোখে পড়ে, এটা জাতির ব্যর্থতা।’

মন্ত্রী বলেন, ‘একসময় এটি একটি রাজনৈতিক দল ছিল। কিন্তু জনআকাঙ্ক্ষা এবং জনগণের প্রতিপক্ষ হয়ে ফাংশন করতে গিয়ে আজকে তারা পরিত্যক্ত, জনগণ কর্তৃক বর্জিত এবং সর্বশেষ নিষিদ্ধ হয়েছে। নিষিদ্ধ মানে নিষিদ্ধই।’

শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, ‘জনগণ রাজনৈতিক দলের বৈধতা দেয়। আইন ও জনগণের সমন্বিত সিদ্ধান্তেই একটি বিষয় নির্ধারিত হয়। জনগণও তাদের নিষিদ্ধ করেছে এবং আইনও নিষিদ্ধ করেছে। তাই নিষিদ্ধ কোনো বিষয় নিয়ে কথা না বলাই শ্রেয়।’

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘রেলের জমিতে এ বছর ১ লাখ ৬০ হাজার গাছ রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন দখলকৃত জমি চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এক একরের নিচের জমিগুলোতে বৃক্ষরোপণ করা হবে। আর বড় জমিগুলো জনস্বার্থে ব্যবহার করা হবে। তিন একরের বেশি জায়গায় সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সরকার যত্রতত্র গাছ লাগাচ্ছে না। কোন জায়গায় কোন ধরনের ব্যবহার করলে জাতীয় উন্নয়ন ও জনকল্যাণ নিশ্চিত হবে, সেটি বিবেচনা করেই কাজ করা হচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, রেলওয়ের জায়গায় পরিবেশ উন্নয়নের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নও করা হবে। চর গলগলিয়া এলাকায় বড় জায়গায় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের প্রকল্প নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মো. আব্দুল্লাহ, রেল সচিব ফাহিমুল ইসলাম, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক আফজাল হোসেন, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলমসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..