× Banner
সর্বশেষ
‎ বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে খাল পূন:খনন শেষে পৌনে এক কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল মালয়েশিয়ায় ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও হালাল মাংস রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কৃষকলীগ নেতা গ্রেফতার দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতদের পরিবার পেল ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার অনুদান মুখ সামলান আর তা না হলে শরীর সামলাতে পারবেন না – এমপি খোকন তালুকদার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

ডেস্ক

কাবুলে হাসপাতালে বিমান হামলায় প্রায় ৪০০ জন নিহত

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬
হাসপাতালে বিমান হামলা

কাবুল-এর একটি হাসপাতালে বিমান হামলায় প্রায় ৪০০ জন নিহত হওয়ার দাবি করেছে আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। এ ঘটনায় আরও অন্তত ২৫০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) ভোরে তালেবান সরকারের উপ-মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত জানান, সোমবার রাত প্রায় ৯টার দিকে কাবুলের নবম পুলিশ জেলার একটি মাদকাসক্তদের পুনর্বাসন হাসপাতালে এ হামলা চালানো হয়। হামলার সময় সেখানে বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তিনি বলেন, প্রায় দুই হাজার শয্যার হাসপাতালটির একটি বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও অনেকে আটকে থাকতে পারেন। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। তিনি অভিযোগ করেন, পাকিস্তান আফগানিস্তানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে বেসামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে এবং ঘটনাটিকে “মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ” হিসেবে উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে, এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। দেশটির তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেছেন, পাকিস্তানি বাহিনী কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ‘নির্ভুল বিমান হামলা’ চালিয়েছে। তার দাবি, কাবুল বা আশপাশের কোনো হাসপাতালকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়নি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কাবুলের নবম পুলিশ জেলার একটি মাদক পুনর্বাসন কেন্দ্র, যেখানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনা এমন এক সময়ে ঘটেছে, যখন আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্তে দুই দেশের বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং একাধিকবার গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে এটিকে দুই প্রতিবেশী দেশের সম্পর্কের অন্যতম তীব্র সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ থাকায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে। হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা এবং হামলার প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে স্বাধীন তদন্তের দাবি উঠতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..