× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

বাংলাদেশি ডাকাত ভারতের সোনার দোকানে!

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৭ জুলাই, ২০১৬

ডেস্ক রিপোর্ট: দুটি সোনার দোকানে ডাকাতি হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে কয়েক মাসের ব্যবধানে। দুটি ডাকাতিতেই জড়িত বাংলাদেশি একই ডাকাত দল। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

দুটি ডাকাতিই সংঘটিত হয়েছে মেদিনীপুরের হরিদেবপুর ও সোদপুরে। এই দুটি এলাকার দূরত্ব মাত্র ৪০ কিলোমিটার। অথচ কয়েক মাসের ব্যবধানে দুটি দোকানে ডাকাতি হয়েছে, তাও আবার একই কায়দায়।

প্রথম ডাকাতিটি হয় প্রায় ১০ মাস আগে। ক্রেতা সেজে সোনার দোকানে ঢোকে ডাকাত দল। দলের সকলেই ছিল মধ্যবয়স্ক। দোকানে ঢুকেই তারা সিসিটিভির তার ছিঁড়ে দেয়। আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে কর্মীদের ভয় দেখিয়ে ভল্ট খুলে প্রায় ১৮ লাখ টাকার (ভারতীয় মুদ্রায়) গয়না ও নগদ টাকা নিয়ে গুলি ছুড়তে ছুড়তে পালায়।

দ্বিতীয় ডাকাতিটি হয় সোদপুরের সোনার দোকানে এই  জুলাই মাসের প্রথমে। তাও সেই একই কায়দায়। এই ডাকাতরাও ছিল মধ্যবয়স্ক। ঘটনাস্থলের কিছু দূরে ছোট মালবাহী গাড়ি রেখে হেঁটে এসে অস্ত্র দেখিয়ে লুটপাট চালায় ডাকাতেরা। কাজ শেষে চম্পট দেয় ওই গাড়িতেই।

এ ছাড়া পুলিশ জেনেছে, দুটি ঘটনাতেই ডাকাতদের কথার ভঙ্গি ছিল একই রকম। প্রথম ডাকাতির ঘটনায় কিছু সূত্র পেলেও তেমন এগোতে পারেনি পুলিশ। দ্বিতীয় ডাকাতির পরই নড়েচড়ে বসে পুলিশ। প্রথমেই সাফল্য আসে নিউ ব্যারাকপুরের বাসিন্দা লীলা কীর্তনিয়া নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করে। তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বেশ কিছু গয়না।

জেরায় লীলা এই ঘটনায় তার ভাই গোলকের জড়িত থাকার কথা জানায়। গোলকের সঙ্গে বারাসাতের বাসিন্দা গোপাল নামে একজন ছিল বলে জানতে পারে পুলিশ। তবে ওই দুজনকে ধরতে না পারলেও পুলিশ গ্রেপ্তার করে লীলার পরিচিত অনিমেষ মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে। লীলা ও অনিমেষকে জেরা করে ধরা হয় অতীশ, দেব ও টুটুন নামে তিনজনকে।

জেরায় পুলিশ জানতে পারে, দুটি ডাকাতিতেই জড়িত ছিল একই বাংলাদেশি ডাকাত দল। ধৃতরা জেরায় জানায়, বাংলাদেশি ডাকাতদের আশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে সব রকম সাহায্য করত তারা। ওই ডাকাতদের বেআইনিভাবে পারাপার করানোর দায়িত্বও ছিল তাদের। এমনকি ডাকাতির সময়ে গাড়ি দিয়ে সাহায্যও করত ধৃতরা।

পুলিশ জেনেছে, বাংলাদেশি ডাকাতেরা প্রথমে এসে ডাকাতির এলাকা রেকি করে যেত। দু-এক দিনে কাজ হাসিলের পর লুটের ভাগ দিয়ে ফিরে যেত দেশে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..