× Banner
সর্বশেষ
পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে -এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী ছয় মাসের মধ্যে সারা দেশে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম চালু করা হবে -আইনমন্ত্রী ঠাকুরগাঁও থেকে বাধ্যতামূলক মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন আইনমন্ত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নিয়ে ভুয়া প্রচার বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ নড়াইলে পাঁচ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামি গ্রেপ্তার  ইরান-যুক্তরাষ্ট্র কূটনৈতিক যোগাযোগের খবরে কমেছে তেলের দাম ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ৫০% কমানোর অঙ্গীকার বাংলাদেশের ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, ১৭ জেলার নদীবন্দরে সতর্কতা আজ ৪ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ জুলাই মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে

জৌলুস হারাচ্ছে ভলিবল, কমেছে মান

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০১৬

স্পোর্টস ডেস্কঃ ক্রিকেট-ফুটবলের জোয়ারের মাঝে এখনো বেশ জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে ভলিবল। জনপ্রিয়তার ঘাটতি না থাকলেও দিনে দিনে জৌলুস হারাচ্ছে এই খেলা। সেই সাথে কমেছে খেলার মান।

এর কারণ হিসেবে, সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঢাকার লিগগুলোতে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা উঠে না আসায় দিনে দিনে মান কমছে। আর ফেডারেশনের কর্তারা জানালেন, তৃণমূল পর্যায়ে খেলা কমে যাওয়াই খেলোয়াড় কমে যাওয়ার মূল কারণ।

চলছে ১০টি দলের অংশগ্রহণে প্রথম বিভাগ ভলিবল লিগ। গ্রামবাংলায় জনপ্রিয় হলেও ইট-পাথরের নগরীতে অনেক খেলার ভিড়ে অন্তরালেই থেকেছে এই খেলা। তবুও অন্যান্য ফেডারেশনের চেয়ে দেশের ভলিবলের মাঠে যেন আছে একটু ভিন্নতা। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় কোনো অর্জন নেই ভলিবলের। তবে, বছরের প্রায় সব সময়ই কোনো না কোনো টুর্নামেন্ট থাকে স্টেডিয়াম পাড়ায় অবস্থিত এই ভলিবল স্টেডিয়ামে।

কিন্তু মাঠে খেলা থাকলেও, আছে সেই খেলার মান নিয়ে প্রশ্ন। দেশের ভলিবলে প্রথম বিভাগের লিগে যে মানের খেলোয়াড় পাওয়া উচিত, সেটি থেকে বঞ্চিত ফেডারেশন। আর এই প্রশ্নে একমত পোষণ করেছেন কোচ ও ফেডারেশনের কর্তারা।

ভলিবল কোচ আব্দুল নাঈম রানা বলেন, ‘আগে জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে অত্যন্ত শক্তিশালী টিম আসত ঢাকাতে। সেইগুলো সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে। যার ফলে খেলার মান ধীরে ধীরে নিচের দিকে চলে গেছে।’

টুর্নামেন্ট কমিটির সেক্রেটারি কাজী আব্দুল হান্নান বলেন, ‘খেলোয়াড় তৈরি হচ্ছে না। তাই লিগ হচ্ছে না। খেলোয়াড়দের মান বাড়ছে না। খেলোয়াড়ের মান বাড়ে জেলা পর্যায়ে খেলে আসলে। স্পন্সর ভাল হলেই খেলার মান বাড়বে না। খেলোয়াড়দের মান বাড়াতে হলে জেলা পর্যায়ে খেলা ছড়িয়ে দিতে হবে।’

এই পরিস্থিতি উত্তরণে ফেডারেশন কিছু উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন এই কর্তা। আর সংশ্লিষ্টরা দিয়েছেন কিছু নির্দেশনা।

টুর্নামেন্ট কমিটির সেক্রেটারি কাজী আব্দুল হান্নান বলেন, ‘প্রত্যেকটি জেলায় খেলাকে বাধ্যতামূলক করেছি যে, আপনাদের লিগ করতেই হবে। স্কুল শুরু করার পর পরই আমরা আবার শুরু করছি জেলা পর্যায়ের লিগগুলো।’

ভলিবল কোচ আব্দুল নাঈম রানা বলেন, ‘বিশেষ করে ক্লাবগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ শুরু করতে হবে। ক্লাবের পর ফেডারেশন, তারপর বিভিন্ন জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে এটা শুরু করতে হবে।’

সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও তার বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের ভলিবলের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে বলেও মনে করেন তারা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..