× Banner
সর্বশেষ
জামায়াত নেতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী; গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ আন্দোলনে একদিনও দেখিনি, অথচ জুলাইয়ের হোতা হয়ে উঠেছিল – সেতুমন্ত্রী পাইকগাছায় বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত আত্মহত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার প্রিন্স মামুন ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৩, মামলা ৩০ শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কোটালীপাড়ায় আরডিএ’র ৩টি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের সিআইডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন

ডেস্ক

জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা বাংলা করতে প্রতিবছর ৮০০ কোটি টাকা খরচ

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
দাপ্তরিক ভাষা বাংলা
বাংলাকে জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করতে হলে প্রতি বছর ৮০০ কোটি টাকা খরচ করতে হবে।

জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা চায়না, স্প্যানিশ, ইংরেজি, আরবি, রাশিয়ান ও ফরাসি।  জাপানি, হিন্দি ও জার্মান ভাষাকেও জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করার প্রস্তাব করা হয়েছিল। নিজস্ব খরচ বহনের শর্তের কারণে সেগুলোও দাপ্তরিক ভাষা হয়নি। ৩৫ কোটি মানুষের মায়ের ভাষা বাংলা। অথচ এই ভাষা আজ পর্যন্ত জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার স্বীকৃতি পায়নি। জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা বাংলা করতে হলে প্রতি বছর ৮০০ কোটি টাকা খরচ করতে হবে।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেন, জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা করতে হলে আর্থিক সংশ্লিষ্টতার বিষয় রয়েছে। এই মুহূর্তে এটার পক্ষে বেশি মতামত আসবে না। যদিও আমাদের শ্রদ্ধা আছে, ভালোবাসা আছে, সবই আছে তবু আমাদের বিবেচনায় করতে হবে, এত টাকা খরচ যুক্তিসঙ্গত হবে কি-না।

শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘আমাদের ভাষা আন্দোলন আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে শক্তি যুগিয়েছে। দেশ স্বাধীনের পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনা জাতিসংঘে বাংলায় বক্তব্য দিয়েছেন। এখন বিশ্ব জুড়ে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতার আসার পরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের দাবি ওঠে। পরে ১৯৯৯ সালে ইউনেসকোতে প্রস্তাব তোলার পর এর স্বীকৃতি দেওয়া হয়।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা সব ভাষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এমনকি ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ভাষার প্রতিও আমরা সমানভাবে শ্রদ্ধাশীল।’ অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে বাংলাদেশ, কেনিয়া, রাশিয়া, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক পর্বে বাংলাদেশ, কেনিয়া, রাশিয়া, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, বিশ্বের সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত চীনা মাতৃভাষীর সংখ্যা ১২৮ কোটি ৪০ লক্ষ, দ্বিতীয় অবস্থানে স্পেনীয় ভাষীর সংখ্যা ৪৩ কোটি ৭০ লক্ষ, তৃতীয় অবস্থানে হিন্দি ভাষীর সংখ্যা ৪২ কোটি ২১ লক্ষ, চতুর্থ অবস্থানে ইংরেজী ভাষীর সংখ্যা ৩৭ কোটি ২০ লক্ষ, পঞ্চম অবস্থানে বাংলাভাষীর সংখ্যা প্রায় ৩৫ কোটি, ষষ্ঠ অবস্থানে আরবি ভাষীর সংখ্যা ২৯ কোটি, সপ্তম অবস্থানে পতুর্গীজ ভাষীর সংখ্যা ২২ কোটি, অষ্টম অবস্থানে রুশ ভাষীর সংখ্যা ১৫ কোটি ৪০ লক্ষ, নবম অবস্থানে জাপানি ভাষীর সংখ্যা ১৩ কোটি আর দশম অবস্থানে লাহান্দা ভাষীর সংখ্যা ১২ কোটি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..