× Banner
সর্বশেষ
সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে খাল পূন:খনন শেষে পৌনে এক কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল মালয়েশিয়ায় ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও হালাল মাংস রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কৃষকলীগ নেতা গ্রেফতার দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতদের পরিবার পেল ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার অনুদান মুখ সামলান আর তা না হলে শরীর সামলাতে পারবেন না – এমপি খোকন তালুকদার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সাতক্ষীরায় গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা জামায়াত কর্মী

দেবাশীষ মুখার্জী : কূটনৈতিক প্রতিবেদক

মিহির স্বরূপ শর্মার অভিমত : আদানি গ্রুপ ডুবলে সমস্যায় পড়তে পারে ভারতের অর্থনীতি

Ovi Pandey
হালনাগাদ: রবিবার, ২৯ জানুয়ারী, ২০২৩
adani group

অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সিনিয়র ফেলো ও ব্লুমবার্গ নিউজের কলামিস্ট ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, মিহির স্বরূপ শর্মা, ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকায় প্রকাশিত একটি নিবন্ধে লিখেছেন : গবেষণা সংস্থা হিনডেনবার্গের তথ্য থেকে জানা গেছে, নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ আদানি সাম্রাজ্যের ভিত্তি আদানি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড ঋণের ভারে ভারাক্রান্ত এবং এই গ্রুপটির অর্থায়নের চূড়ান্ত উৎসটি উল্লেখযোগ্যভাবে অস্বচ্ছ। নরেন্দ্র মোদির সরকার আদানির কোম্পানিগুলোকে শুধু যে ভারতের পরিকাঠামোর বিস্তৃত অংশের দায়িত্ব দিয়েছে, তা নয়। তারা সেই সব খাতের অংশীদার হিসাবেও সরকারের প্রথম পছন্দ হয়ে উঠেছে সেই সমস্ত খাতকে, যেগুলোকে ভারতের শিল্পনীতি-নির্ধারকেরা ভারতের প্রবৃদ্ধিতে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। গৌতম আদানির কোম্পানিগুলো যদি প্রতিশ্রুতি পূরণেও ব্যর্থ হয়, তাহলে তার বিনিয়োগকারীরা যা হারাবে, তার চেয়ে অনেক বেশি হারাবে ভারত। সেই ব্যর্থতার হাত ধরে আদানি নিজের পতনের সঙ্গে ভারতের শিল্প নীতিকেও তলানিতে নিয়ে যাবেন। আদানির ওপর ভরসা করে যে কোম্পানিগুলো বাজি ধরেছে শুধু তারা নয়, এর জের ভারতের ব্যাংক, ভারতের রাজনীতিবিদ এবং সর্বোপরি ভারতের নাগরিকদের জের টানতে হবে।
মিহির স্বরূপ শর্মা আরও লিখেছেন, আদানির শেয়ার সাধারণত এমন সূক্ষ্ম ও স্থিতিশীলভাবে লেনদেন হয়, খুব কম লোকই বিশ্বাস করতে চাইবে যে, আদানির কোম্পানিগুলো খুচরা বিনিয়োগকারীদের প্রতারণা করতে শুরু করেছে। এমনকি সরকারি খাতের ব্যাংক এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমা কোম্পানি উভয়ই – আদানি গ্রুপের নামে সর্বস্ব খাঁটিয়ে অবলীলায় বাজি ধরে বসে আছে। সরকারি খাতের ব্যাংক, পেনশন তহবিল, দেশের বাইরে থাকা অজ্ঞাতনামা মূলধন- যেখান থেকেই অর্থ আসুক না কেন, ভারতের প্রবৃদ্ধির জন্য যেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো – সেই অর্থ কতটা উৎপাদনশীলভাবে ব্যয় করা হচ্ছে। কার্যকর অলিগার্করা যদি দুর্নীতিগ্রস্ত হয়, তাহলে তারা একটি দেশের জন্য কতটা বিপজ্জনক হতে পারে -সেটা জানতে রাশিয়ার দিকে তাকাতে পারেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..