রাজধানীর কদমতলী তালাবদ্ধ ঘর থেকে দোলনা বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় পূর্ব জুরাইন ১৩১৫ নবারুন গলির ছাত্তার মিয়ার ৬ষ্ঠ তলা বাড়ির ৫ম তলার একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত গৃহবধূর স্বামী দেলোয়ার হোসেনকে (৩৮) আটক করেছে পুলিশ।
নিহত দোলনার গ্রামের বাড়ি ব্রাক্ষণবাড়িয়ার নবীনগর থানার খাগাতুয়া সরকার বাড়ি। তার পিতার নাম মৃত আবদুল হাসেম।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, তাদের ২টি কন্যা সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দোলনার স্বামী ছাত্তার মিয়ার বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে রয়েছেন এবং ওই বাড়ির ৪র্থ তলায় একটি ফ্লাটে স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকতেন দোলনা।
বৃহস্পতিবার সকালে মেয়েরা স্কুলে যাওয়ার পর দেলোয়ার শ্বাসরুদ্ধ করে তার স্ত্রী দোলনাকে হত্যা করে। পরে লাশটিকে বস্তার ভেতরে ঢুকিয়ে ওই ভবনের ৫ম তলার একটি কক্ষে বালির বস্তার সঙ্গে রেখে দেয়। সেখানে প্রায় শতাধিক বালির বস্তা রয়েছে।
পরে দেলোয়ার স্ত্রীকে খুঁজে পাচ্ছে না বলে দোলনার আত্বীয়স্বজনকে জানায় এবং সে নিজে বাদী হয়ে ৩ সেপ্টেম্বর কদমতলী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করে।
মঙ্গলবার বিকালে ছাত্তার মিয়ার ভবন থেকে দুর্গন্ধ বের হয়ে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকার লোকজন লাশের গন্ধ সন্দেহ করে কদমতলী থানা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ওই ভবন থেকে তল্লাশি করে দোলনার লাশ উদ্ধার করে।
কদমতলী থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহা যুগান্তরকে বলেন, দোলনার স্বামী তাকে ৫ দিন পূর্বে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। পারিবারিক কলহের জের ধরে হত্যা করেছে বলেছে দেলোয়ার স্বীকারোক্তি দিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।