× Banner
সর্বশেষ
আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট

বেনাপোল কাষ্টমস হাউজে অফিসারদের আবাসিক ভবনে ৬ ডজন সুন্দরী যুবতী

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০১৬

বেনাপোল প্রতিনিধি:অর্থেরকাছে হারমানিয়ে বেনাপোল কাষ্টমস হাউজে প্রায় ৬ ডজন যুবতী কাষ্টমস কর্মকর্তাদের লোক দেখানো রান্নার কাজের পাশাপাশি কর্তাদের রক্ষিতা হিসাবে রয়েছে কাষ্টমস হাউজে।
বৃহত্তর এ কাষ্টমস হাউজে প্রতি অফিসারের রান্নাবান্নার কাজের ফাঁকে ফাঁকে তাদের মনোরঞ্জনের কাজ করে থাকে এসব যুবতীরা।

২০ থেকে ৩৫ বছরের ভিতর এসব যুবতীরা কাকডাকা ভোরে বোরখা পরে কাষ্টমস হাউজে প্রবেশ করে। এবং সারাদিন সেখানে রান্না সহ অফিসার ও কাষ্টমস সিপাইদের অন্যান্য কাজ শেষে তারা সন্ধ্যার পর কাষ্টমস হাউজ থেকে আবার তাদের পুর্বের পোশাকে বের হতে দেখা যায়।
নির্ভরযোগ্য একটি সুত্র জানায়, এসব যুবতীদের মাসে ৯/১০ হাজার টাকা বেতনের পাশাপাশি অফিসারেদের মনোরঞ্জনের জন্য অতিরিক্ত টাকা আয় হয়ে থাকে। আর এসব যুবতীরা অভাব অনটনের সংসারে দরিদ্র পিতা মাতা দরিদ্র স্বামী সংসার ও ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যাতের কথা চিন্তা করে নিরবে নিভৃতে তাদের সর্বোস্ব বিলিয়ে দিচ্ছে এসব কাষ্টমস কর্মকর্তাদের কাছে।
আবার অনেক কাষ্টমস ইন্সপেক্টর ও সেপাইদের কোন কোন মেয়েকে বিয়ে করে ঘর সংসার করতে ও দেখা গেছে। সুন্দরী এসব মেয়েরা বেনাপোল সহ দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে কাষ্টমস হাউজে নাম মাত্র কাজের অছিলায় প্রবেশ করে তাদের মনোরঞ্জনের কাজ করে থাকে।

অফিসারদের পরিবার নিয়ে থাকার ব্যাবস্থা থাকলে ও তা না থেকে এরা এক একজন একটি করে মেয়েকে তাদের কাজের জন্য রেখে দিয়ে তাদের দিয়ে সব কাজ করে থাকে।
কোন কোন অফিসার মাদক সেবন করে এসব মেয়েদের সাথে সকাল সন্ধ্যা এবং কাজের ফাঁকে ফাঁকে মিলিত হয় বলে সুত্র দাবি করে। অবৈধ টাকা উপার্জনে কাষ্টমস হাউজে এসব কর্মকর্তাদের নৈতিকচরিত্র অধ:পতন এতটা নিন্ম পৌছে যে এখানে সবার মুখে মুখে রটে গেছে।

সাধারন লোক কিছু বলতে পারে না কারন এখানে বেশীর ভাগ লোক ব্যাবসার সাথে জড়িত। কাষ্টমস কর্তাদের কাছে যাওয়া আসা করতে হয় ব্যাবসায়িক বিভিন্ন কাজের জন্য।
সম্প্রতি জনৈক সুপার একটি মেয়েকে নিয়ে মদ খেয়ে তার আবাসিকে হাতে নাতে ধরা পড়ার পর মেয়েটির চাকরি চলে গেছে। কিন্তু বহাল তাবিয়তে আছে রাজস্ব এ কর্মকর্তা।

তামিম হোসেন সবুজ


এ ক্যটাগরির আরো খবর..