× Banner
সর্বশেষ
অপরিকল্পিত প্রকল্প হাতে নিয়ে জনগণের অর্থের অপচয় করা যাবে না – বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ নিয়ে ঢাকা ও কাঠমান্ডু আলোচনা অনুষ্ঠিত সরকারের ১৮০ দিনের অর্জন জনগণের সামনে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরতে হবে – স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে অকুতোভয় জুলাই যোদ্ধা আজিজুর রহমানের সাক্ষাৎ ১০০ টাকা মূল্যমানের প্রাইজবন্ডের ১২৪তম ‘ড্র’ আগামী ২ আগস্ট জুলাইয়ের আত্মত্যাগের চেতনাকে লাভজনক চেতনা বানাবেন না – তথ্যমন্ত্রী হজ ও ওমরাহ ফেয়ার ২০২৬: বিমানের টিকিট মূল্য কমে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা, হয়রানিমুক্ত হজের প্রতিশ্রুতি লটারির মাধ্যমে গণপূর্ত অধিদপ্তরের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, স্বচ্ছতায় নতুন উদ্যোগ সীমাবদ্ধতা নয়, স্বপ্নপূরণের শক্তি আত্মবিশ্বাস ও অধ্যবসায়: ববি হাজ্জাজ জুলাই শহিদদের আত্মত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্রে প্রকৃত পরিবর্তন আনতে হবে: মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

লালমনি এক্সপ্রেসে ” লালমনির জন্ম”

Biswajit Shil
হালনাগাদ: রবিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৯

স্টাফ রিপোর্টার:  দিনমজুর স্বামীর অপারেশন করে স্ত্রী’র ডেলিভারি করানোর সামর্থ্য না থাকায় স্ত্রীকে নিয়ে নিয়ে গ্রামের বাড়ি গিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে ডেলিভারি করানোর উদ্দেশ্যে লালমনিরহাটগামী আন্তনগর ‘লালমনি এক্সপ্রেস’ ট্রেনে উঠলে সেই ট্রেনেই ফুটফুটে কন্যা শিশুর জন্ম দেন নবিয়া।
উল্লেখ্য, লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার চলবলা ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামের ছকমাল মিয়া-স্ত্রী নবিয়া বেগমকে নিয়ে প্রায় ২ বছর আগে ঢাকায় যান। স্ত্রী নবিয়া নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন। স্বামী দিনমজুরের কাজ পেয়ে একইসঙ্গে ভাড়া বাড়িতে থাকেন। অভাবের তাড়নায় ঢাকার ক্লিনিকে সন্তানসম্ভবা স্ত্রী’র অপারেশন করার মতো স্বামীর সামর্থ্য নেই। তাই সিদ্ধান্ত হয় গ্রামে গিয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করবেন ‍স্ত্রীকে।
সেই উদ্দশ্যে শনিবার স্বামী-স্ত্রী দুজনই টিকিট কেটে লালমনিরহাটগামী আন্তনগর ‘লালমনি এক্সপ্রেস’ ট্রেনে ওঠেন। ট্রেনেই নবিয়ার প্রসব ব্যাথায় কান্নাকাটি করতে থাকেন, ট্রেন পাবনার ঈশ্বরদী এলাকায়। গভীর রাতে আশপাশে ট্রেন থামার মতো কোনো রেলস্টেশন ছিল না। এক পর্যায়ে ভোর ৪টার দিকে একটি ফুটফুটে শিশুর জন্ম হয়।
রবিবার সকালে বগুড়া স্টেশনে আন্তনগর ‘লালমনি এক্সপ্রেস’ ট্রেনটি পৌঁছায়। সকালে গ্রামের বাড়িতে এলে বাড়ি লোকজন প্রসূতি মা ও সন্তানকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়। সেখানে শিশুটির নাম রাখা হয়  লালমনি
চলবলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু বলেন, বিষয়টি জানার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রসূতি ও তার সন্তানকে দেখেছি। তারা এখন অনেক ভালো আছেন। ৯৯৯ নম্বরে ফোন এবং রেল কর্মকর্তাদের জন্য মা ও শিশুর জীবন বেঁচে গেল।
শিশুটির বাবা নির্মাণ শ্রমিক ছকমল মিয়া বলেন, আমি আমার সন্তানকে শিক্ষিত হয়ে রেলওয়েতে চাকুরি করতে বলবো। স্টেশনের মানুষ না এগিয়ে এলে আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারতাম না।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..