× Banner
সর্বশেষ
ডিবির অভিযানে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক মাদক কারবারি আটক শাহজালাল বিমানবন্দরে ২ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ ম্যান-মেড ফাইবার পোশাক: বৈশ্বিক বাজারের ১২ শতাংশ দখল করতে পারে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবির পরিদর্শন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূতের আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা জুলাই সনদের আলোকেই বাস্তবায়ন হবে – আইনমন্ত্রী আইসিইউতে লড়ছেন মা,বাঁচানো গেল না গর্ভের সাত মাসের সন্তানকে জানালা ভেঙে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ নাগরিক সেবার কার্যক্রম দেখতে ঢাকার সড়কে প্রধানমন্ত্রী ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক; না থাকলে মিলবে না নিবন্ধন-ফিটনেস ১৫ বছর আগের ১০০ টাকা ফেরত দিতে পাওনাদারের বাড়িতে বৃদ্ধ

‘বুলবুল’-এর নাম রেখেছে পাকিস্তান

Biswajit Shil
হালনাগাদ: রবিবার, ১০ নভেম্বর, ২০১৯

বঙ্গোপসাগর দিয়ে ধেয়ে আসা সব ঘূর্ণিঝড়ের ব্যতিক্রমী নামকরণ নিয়ে অনেকের মনে কৌতূহল জাগে। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা আঞ্চলিক কমিটি একেকটি ঝড়ের নামকরণ করে। যেমন ভারত মহাসাগরের ঝড়গুলোর নামকরণ করে এই সংস্থার আট দেশ। সেই দেশগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, মিয়ানমার, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড ও ওমান। এবার ঘূর্ণিঝড় বুলবুল-এর নাম রেখেছে পাকিস্তান

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হয়েছে। এ বছর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের ওপর আঘাত করা সবচেয়ে আলোচিত ঘূর্ণিঝড়ের নাম হচ্ছে ফণী। সরকার ও উপকূলীয় অঞ্চলবাসী আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ায় বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য কোনো ক্ষতি ফণী করতে পারেনি।

এর আগেও বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসা কয়েকটি ঘূর্ণিঝড়ের নাম ছিল বেশ অদ্ভুত। সাধারণত ঝড়ের নামকরণ হয় বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। আর একেক ঝড়ের নামকরণ করে একেকটি দেশ। যেমন- এর আগে ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র নামকরণ করেছিল বাংলাদেশ। সাধারণত কিছু নিয়ম মেনে এসব ঝড়ের নামকরণ করা হয়। এক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশ থেকে বিশেষজ্ঞদের কাছে নাম পাঠানো হয়, সেই সব নাম নিয়ে বিশেষ বৈঠক হয়, পরে আবহাওয়া দফতর ভিত্তিক আঞ্চলিক কমিটি এই নাম চূড়ান্তভাবে ঘোষণা করে। এর আগে বিজলির নাম রেখেছিল ভারত, নার্গিস-এর নাম রেখেছিল পাকিস্তান, সিডর-এর নাম রেখেছিল ওমান

আগামীতে যে দুটো ঝড় আসবে ‘পবন’ ও ‘আফমান’ তার নামকরণ করেছে শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। ১৯৪৫ সাল থেকে গ্রীষ্মম লীয় অঞ্চলে শুরু হয় সাইক্লোন-টাইফুন ও হারিকেন তথা ঘূর্ণিঝড়ের আনুষ্ঠানিক নামকরণ। একসময় ঝড়গুলোকে নানা নম্বর দিয়ে শনাক্ত করা হতো। কিন্তু সেসব নম্বর সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য মনে হতো। ফলে সেগুলোর পূর্বাভাস দেওয়া, মানুষ বা নৌযানগুলোকে সতর্ক করাও কঠিন হয়ে পড়ত। এ কারণে ২০০৪ সাল থেকে বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগরের উপকূলবর্তী দেশগুলোর ঝড়ের নামকরণ শুরু হয়। সে সময় আটটি দেশ মিলে ৬৪টি নাম প্রস্তাব করে। সেসব ঝড়ের নামের মধ্যে এখন বুলবুল-কে বাদ দিলে আর পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ের নাম বাকি আছে। যাদের প্যানেলকে বলা হয় WMO/ESCAP?

এক সময় ঝড়ের নাম হিসেবে নারীদের নামকে প্রাধান্য দেওয়া হলেও পরবর্তীতে আবারও পুরুষের নাম সংযোজিত হতে থাকে। বর্তমানে বস্তু বা অন্য বিষয়ের নাম অবস্থাভেদে টেনে আনা হয়েছে। যেমন- সিডর, মেঘ, বায়ু ইত্যাদি। উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট সব ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দেওয়া নামগুলো হলো- অনিল, অগ্নি, নিশা, গিরি, হেলেন, চপলা, অক্ষি, ফণী।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..