× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

পঞ্চমবারের মত উপজেলা নির্বাচনের পরিকল্পনা ইসির

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ৭ জানুয়ারী, ২০১৯

দেশে পঞ্চমবারের মতো উপজেলা পরিষদগুলোতে এবারও ধাপে ধাপে নির্বাচনের পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা, পবিত্র রমজান এবং আবহাওয়া পরিস্থিতি বিবেচনায় ছয় বা সাত ধাপে দেশের প্রায় ৪৯০টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ হতে পারে বলে জানা গেছে।

আগামী মার্চে প্রথম ধাপে ভোটগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে ইসির। এ ক্ষেত্রে জানুয়ারির শেষ দিকে অথবা ফেব্রুয়ারিতে তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে। এ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে।

জানা যায়, এরই মধ্যে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আয়োজনে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম শুরু করেছে ইসি। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরই এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এরই মধ্যে দেশের সব উপজেলা পরিষদের সর্বশেষ তথ্য ইসিকে জানাতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়া হয়েছে। এতে উপজেলার নাম উল্লেখ করে সর্বশেষ নির্বাচনের তারিখ, ওই উপজেলার চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যানদের শপথগ্রহণ এবং প্রথম বৈঠকের তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। প্রায় একই ধরনের তথ্য দিতে দশ আঞ্চলিক কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দিয়েছে ইসি।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের বিষয়ে ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় মার্চ মাস ভোটগ্রহণের জন্য সুবিধাজনক সময়। তবে এখনও বিষয়টি নিয়ে ইসির সভায় আলোচনা হয়নি। তিনি বলেন, কমিশন আমাদের যে নির্দেশনা দেবেন, সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়া হবে।

ইসির কর্মকর্তারা জানান, উপজেলা পরিষদ আইন, ১৯৯৮ এর ১৭(১)(গ) ধারা অনুযায়িী, পরিষদের মেয়াদ শেষ হওয়ার তারিখের আগের ১৮০ দিনের মধ্যে ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। পরিষদের প্রথম বৈঠক (সভা) থেকে মেয়াদ শুরু হয়। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারিতে ৯৭টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ওই বছরের জুন-জুলাইয়ে সবমিলিয়ে সাত ধাপে বাকি উপজেলা পরিষদে নির্বাচন হয়েছিল। ওই বছরের বিভিন্ন সময়ে উপজেলা পরিষদগুলোতে প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ কারণে ইতোমধ্যে অর্ধেকের বেশি উপজেলা পরিষদ ভোটগ্রহণের উপযোগী হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..