× Banner
সর্বশেষ
সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে খাল পূন:খনন শেষে পৌনে এক কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দিলেন ইউএনও সাংবাদিকের ওপর হামলা, সকল আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল মালয়েশিয়ায় ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল ও হালাল মাংস রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কৃষকলীগ নেতা গ্রেফতার দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই: মির্জা ফখরুল ঝিনাইদহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহতদের পরিবার পেল ১ কোটি ১৯ লাখ টাকার অনুদান মুখ সামলান আর তা না হলে শরীর সামলাতে পারবেন না – এমপি খোকন তালুকদার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করলে ব্যবস্থা – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সাতক্ষীরায় গৃহবধূর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা জামায়াত কর্মী

ডলারের মূল্যবৃদ্ধিতে ভারতের সমান হচ্ছে বাংলাদেশি টাকা

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৮

মার্কিন ডলারের মূল্য বৃদ্ধিতে কমেছে ভারতীয় টাকার মূল্য। আর এই মূল্যহ্রাসে নয়া আতংক তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানিকারী ব্যবসায়ীদের মধ্যে। কারণ, ডলারের মূল্যবৃদ্ধির ফলে ভারতের সমান হতে চলেছে বাংলাদেশি টাকার মূল্য। এর ফলে বেশি দাম দিয়ে ডলার কিনে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে তাদের।

বাংলাদেশি পণ্য আমদানিকারী ভারতীয় ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে থাকলেও লাভবান হচ্ছেন বাংলাদেশি ব্যবসায়ী-সহ পর্যটকরা।

শনিবার ভারতীয় ১০০টাকায় পাওয়া যাচ্ছে বাংলাদেশী ১১২টাকা ৮৬পয়সা। অন্যদিকে এদিন এক ডলারের মূল্য ছিল ভারতীয় টাকায় ৭৪টাকা ১৩ পয়সা। পাশাপাশি বাংলাদেশে এক ডলারের মূল্য ছিল ৮৩ টাকা ৬৭পয়সা। দেখা যাচ্ছে, ভারতীয় ঠাকার বিপরীতে ডলারের পাশাপাশি বাংলাদেশের টাকাও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহ থেকে ভারতীয় টাকার মূল্যের রেকর্ড পতন হয়েছে। অতীতে এত কম দামে ভারতীয় টাকা পাওয়া যায়নি বাংলাদেশি টাকার মূল্যে।

যদিও ভারতের অর্থনীতিবিদ ও গবেষক ডঃ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় বিষয়টি নিয়ে বলেছে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ডলারের বানিজ্য হয়। তাই, টাকার মূল্য হ্রাসের প্রভাব সীমিত হবে।

অপরদিকে, অর্থনীতিবিদ এবি মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেছেন, ভারতীয় টাকার যে হারে অবমূল্যায়ন হয়েছে, সেই হারে বাংলাদেশি টাকার অবমূল্যায়ন হয়নি। যার কারণে ভারতীয় টাকার মান বাংলাদেশি টাকার কাছাকাছি চলে এসেছে। ফলে, ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে কিছুটা সুবিধা হলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে রপ্তানিতে। অর্থাৎ বাংলাদেশ থেকে যারা ভারতে পন্য রফতানি করেন তারা কিছুটা প্রতিযোগিতায় পড়বেন। কারণ, রফতানি পণ্যের দাম বেড়ে যাবে। ফলে চাহিদা কমবে।

বাংলাদেশের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানির ব্যবসা করেন সৌমেন দত্ত বলেন, ভারতের টাকার সঙ্গে বাংলাদেশের টাকার দাম কাছাকাছি এসে যাওয়ায় ডলারের হিসাব করলে রফতানিতে ক্ষতি নেই। কারণ ডলার এক্ষেত্রে দেশে আসছে। কিন্তু আমদানিতে ক্ষতি হচ্ছে টাকার মূল্যে হিসাব করলে বেশি দামে ডলার কিনতে হচ্ছে। এছাড়াও ডলারের দাম বাড়লে পণ্যের দামও বেড়ে যায়। এছাড়া গাড়ির তেলের দাম বাড়ায় পরিবহণ খরচ বেড়ে গিয়েছে।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সবচেয়ে বেশি বানিজ্য হয় বনগার পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে। পেট্রাপোল স্থলবন্দর এর ক্লিয়ারিং এজেন্টদের সংগঠনের সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসা একটা অসাম্য পরিবেশ তৈরি হয়েছে। বেশি দাম দিয়ে ডলার কিনতে হচ্ছে বলে পণ্য আমদানিকারীরা ব্যবসায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন।

এদেশের উত্তর-পুর্বের রাজ্যগুলি অনেকাংশেই বাংলাদেশ থেকে আসা বিভিন্ন পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। এক্ষেত্রে ডলারের দামবৃদ্ধির ফলে সেখানকার আমদানিকারী ব্যবসায়ীরা বিপাকে পড়তে পারেন। উত্তর-পূর্বের বাজারে পণ্যের দাম বাড়তে পারে। অন্যদিকে, পর্যটনখাতে বাংলাদেশি নাগরিকরা লাভবান হচ্ছেন যারা ভারতে বেড়াতে চিকিৎসা করাতে আসছেন। কারণ এর আগে ভারতে ১০০ডলারের বিপরীতে ৬,৫০০ টাকা পাওয়া যেত। কিন্তু বর্তমানে ১০০ ডলারের বিপরীতে ৭,৪১৩ টাকা পাওয়া যাচ্ছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..