× Banner
সর্বশেষ
দেশের সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে সিআইআরএস ও এনআরএস উদ্বোধন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে সৌদির পররাষ্ট্র উপমন্ত্রীর বৈঠক বাংলাদেশ-সৌদি সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করতে চায় সরকার -প্রধানমন্ত্রী প্রগতিশীল ও উন্নত সমাজ বিনির্মাণে স্থিতিশীল আইন-শৃঙ্খলা অপরিহার্য – পানি সম্পদ মন্ত্রী জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে – প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে কফিল আকামা নবায়ন না করলেও অন্য নিয়োগকর্তার অধীনে নবায়নের সুযোগ বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় শান্তির পক্ষে – প্রধানমন্ত্রী ‎ বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীতে গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ভ্রাম্যমান সংগীত কর্মসূচি শুরু সেতু বিভাগ এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হচ্ছে

রেমিট্যান্স নিয়ে এফবিসিসিআই এর তথ্য ভিত্তিহীন জানালেন ভারতীয় হাই কমিশনার

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

ভুল খবরটা সোশ্যাল মিডিয়াতে খুবই ছড়াচ্ছিল। তার পরে বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনে নিজের বক্তৃতায় বাংলাদেশের শীর্ষ বাণিজ্য সংগঠন এফবিসিসিআই-এর সভাপতি সেটাই তথ্য হিসাবে তুলে ধরলেন। মঞ্চে উপস্থিত ভারতের হাই কমিশনার সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দিলেন— এটা ভুল তথ্য। ভিত্তিহীন।

সম্প্রতি একটি ভুল তথ্য হোয়াট্‌সঅ্যাপ ও ফেসবুকে ছড়িয়েছে— যে সব দেশ থেকে ভারতে রেমিট্যান্স হিসেবে সব চেয়ে বেশি বিদেশি মুদ্রা আসে, সেই তালিকার চতুর্থ বাংলাদেশ। ভারতীয় কর্মীরা বিদেশে চাকরি করে যে অর্থ দেশে পাঠান, সেটাই রেমিট্যান্স। বাংলাদেশে এত ভারতীয় কাজ করেন না যে, বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স তাঁরা দেশে পাঠান। কিন্তু এই ভুল তথ্য দিয়ে একটি মহল প্রচার করছে যে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর বিদেশি মুদ্রা ভারতে চলে যাচ্ছে। বুধবার ঢাকায় বাণিজ্য মেলার অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই-য়ের সভাপতি মহম্মদ শাফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন অবশ্য এই তথ্যকেই দু’দেশের বাণিজ্য সম্পর্কের উষ্ণতার নিদর্শন হিসেবে হাজির করেন।

অনুষ্ঠানে হাজির ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বলেন, ‘‘মহিউদ্দিন রেমিট্যান্সের বিষয়ে যে তথ্য দিয়েছেন তা সম্পূর্ণ ভুল। আমি জানি না কোথা থেকে তিনি এই তথ্য পেয়েছেন। এ বিষয়ে তাঁর কাছে প্রামাণ্য কোনও তথ্য থাকলে তিনি যেন ভারতীয় হাই কমিশনকে দেন।’’

সম্প্রতি একটি ওয়েবসাইটে এই ভুল তথ্যটি প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি আন্তর্জাতিক সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০১৬-র রিপোর্ট থেকে তারা এই তথ্য পেয়েছে। কিন্তু ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের এক সূত্র জানিয়েছেন, তাঁরা পিউ রিসার্চ সেন্টারের ২০১৬-র রিপোর্ট খতিয়ে দেখে এমন কোনও তথ্য পাননি। ভারতে সব চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে যে ১০টি দেশ থেকে, তার মধ্যে বাংলাদেশের নামই নেই। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, আমেরিকা, সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, ব্রিটেন, ওমান, নেপাল, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার নাম রয়েছে এই তালিকায়। বরং যে সব দেশ থেকে বাংলাদেশে সব চেয়ে বেশি রেমিট্যান্স যায়, সেই তালিকায় সবার ওপরে রয়েছে ভারত। তার পরে স্থান সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কুয়েত, ব্রিটেন, আমেরিকা, কাতার এবং ওমানের।

কিন্তু ভুল তথ্য ছড়িয়ে সোশ্যাল সাইটে ভারত-বিরোধী প্রচার করা হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা ভারতে চলে যাচ্ছে। এফবিসিসিআই-এর সভাপতি অবশ্য ইতিবাচক হিসেবেই তথ্যটি তুলে ধরেছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..