× Banner
সর্বশেষ
ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল জাল দলিলের অভিযোগ-কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বেনাপোলে বিএনপির আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ ডাসারে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পুর্তি উপলক্ষে ঝিনাইদহে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণসমাবেশ শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান নিউটনের আপেলের মতো গণ-অভ্যুত্থান অটোমেটিক পড়েনি – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৫ আগস্ট যেভাবে হয়ে উঠল ‘৩৬ জুলাই’

চট্টগ্রামে গরুর বাজারে বেচাকেনার ধুম, মাঝারির চাহিদা বেশী

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২১ আগস্ট, ২০১৮

রাজিব শর্মা, চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ আর একদিন পরই কোরবানির ঈদ। ঈদকে ঘিরে শেষ মুহূর্তে কোরবানির পশু বেচাকেনার ধুম পড়েছে চট্টগ্রাম নগরীর পশুর হাটে। ক্রেতার ভিড়ে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন বাজারে গরু নিয়ে আসা বেপারিরা। চট্টগ্রামের পশুর হাটে এবার মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি।
৬০টি গরু নিয়ে সাগরিকা পশুর হাটে এসেছেন কুমিল্লার চান্দিনার বেপারি ইব্রাহিম। তিনি বলেন, ‘দুই দিন আগে ৬০টি গরু নিয়ে বাজারে এসেছি। গত দুই দিনে ১৫টি বিক্রি হয়েছে। যত ঈদ ঘনিয়ে আসছে ততই বাজারে ক্রেতা বাড়ছে। আগামীকাল (সোমবার) সবচেয়ে বেশি বেচাকেনা হবে। বাসায় গরু রাখার জায়গা না থাকায় অনেকে ঈদের আগের দিনও গরু কিনবেন।’
কোন সাইজের গরুর চাহিদা বেশি জানতে চাইলে ইব্রাহিম বলেন, ‘এবার বাজারে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি। ৬০-৭০ হাজার থেকে এক লাখ ২০-৩০ হাজার টাকা দামের গরুর চাহিদা বেশি।’
একই কথা জানিয়েছেন, নাহার এগ্রো গ্রুপের ট্রান্সপোর্ট অফিসার আব্দুল আজিজ। নাহার এগ্রোর পক্ষ হয়ে তিনি সাগরিকার বাজারে ১৮টি গরু নিয়ে আসছেন।
আব্দুল আজিজ বলেন, ‘অন্যান্য বছরের মতো বাজারে এবার মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি। বড় গরুর ক্রেতাও আছে। তবে সেটা সংখ্যায় কম। নগরীর আরও দু’তিনটি হাটে আমাদের গরু আছে। ওই সব বাজারেও মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা বেশি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাজারে এখনও বেচাকেনা কম। গত তিন দিনে আমরা মাত্র ৪টা গরু বিক্রি করেছি। তবে গত (রবিবার) বিকাল থেকে বাজারে গরু বেচাকেনা বেড়েছে। কাল (সোমাবার) বাজারে পুরোদমে গরু বেচাকেনা হবে।’

সাগরিকার বাজারের সবচেয়ে বড় গরুটি নাহার এগ্রোই নিয়ে এসেছেন। তারা বাদশা মিয়া নামে লাল রঙের গরুটির দাম হাঁকিয়েছেন ১২ লাখ টাকা।
এ সর্ম্পকে জানতে চাইলে আব্দুল আজিজ বলেন, ‘এবার সাগরিকা বাজারের সবচেয়ে বড় গরুটি আমাদের। আমরা ১২ লাখ টাকা দাম চাচ্ছি। গতকাল এক ক্রেতা ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা বলেছেন।’
বাদশা মিয়া কেন নাম রাখলেন জানতে চাইলে বলেন, ‘সুঠাম দেহ ও অবয়বে দেখতে গরুটি বাদশার মতো তাই আমরা তার নাম দিয়েছি বাদশা মিয়া।’
সীতাকুণ্ড থেকে ১০টি গরু নিয়ে নগরীর বিবির হাটে এসেছেন নাসির হোসেন। তিনি জানান, ‘বাজারে দেশি গরুর চাহিদা বেশি। গতকাল ১০টা গরু নিয়ে বাজারে এসেছিলেন তিনি। ইতোমধ্যে তার ৫টা গরু বিক্রি হয়েছে।’

রবিবার নগরীর বিভিন্ন পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড়। ইজারাদার ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বিকাল থেকেই বেচাকেনা ব্যাপকহারে শুরু হয়েছে। তবে আজ থেকে মূল বেচাকেনা শুরু হবে। ক্রেতারা অনেকে বিভিন্ন বাজার যাচাই করে দেখছেন। সোমবারের মধ্যে কেনার চেষ্টা থাকবে তাদের। বাজারে গরুর সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে এখনও বাজারে ট্রাকে ট্রাকে গরু আসছে। বাজারে বিভিন্ন প্রজাতির গরু থাকলেও দেশি গরুর চাহিদা তুলনামূলক বেশি এবং দাম কিছুটা বেশি বলে অনেকে জানিয়েছেন ক্রেতারা। তবে দাম নাগালের মধ্যেই রয়েছে। বেপারিরা কৃত্রিম সংকট তৈরি না করলে ঈদের আগ পর্যন্ত গরু দাম এমনই থাকব বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

৮০ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কেনেছেন নগরীর হালিশহর এলাকার বাসিন্দা নুরুল আবছার। তিনি বলেন, এর আগে একদিন বাজারে এসেছিলাম। তখন গরুর দাম দেখে আইডিয়া নিয়েছি। আজ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে এটা কিনলাম। বাজারে গরুর দাম এখনও সহনীয় পর্যায়ে আছে। তবে গতবারের চেয়ে সামান্য বেশি দামে এবার গরু বেচাকেনা হচ্ছে।
নগরীর অক্সিজেন এলাকার বাসিন্দা রুহুল আমিন। বিবির হাট বাজারে কোরবানির গরু কিনতে এসেছেন নগরীর এই বাসিন্দা। তিনি বলেন, ‘বাসায় গরু রাখার জায়গা নেই। তাই এতদিন গরু কেনা হয়নি। আজ গরু কিনবো।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাজারে মাঝারি সাইজের গরুর দাম একটু বেশি। চাহিদা বেশি থাকায় বেপারিরা মাঝারি সাইজের গরুর দাম বেশি হাঁকাচ্ছেন। তবে বাজারে বড় গরুর দাম সহনীয় পর্যায়ে আছে।’


এ ক্যটাগরির আরো খবর..