শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
ব্রেকিং নিউজ
মিডিয়ার সামনে বক্তব্যের পর সিদ্ধার্থের বাবা-ভাইকে ডিবির ধরে নেওয়ার অভিযোগসুপরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে বিগত সরকার -এস এম জিলানীঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক: ETC চালু, ফুলবাড়িয়া টার্মিনাল যাবে কেরানীগঞ্জেজনগণের প্রত্যাশা পূরণে পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে সরকার: মীর শাহে আলমভেনেজুয়েলার ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রঅপরাধ দমনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অগ্রগতিতে ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থারাশিয়ার রপ্তানি কমতেই ভারত থেকে রেকর্ড ডিজেল কিনছে তুরস্ক৭২ ঘণ্টার আগেই ভাঙল নেপাল–তিব্বত সীমান্তের হ্রদের বাঁধ, নতুন বন্যার শঙ্কালর্ডসে পাকিস্তানকে চাপে রেখে দ্বিতীয় দিন শেষ করল ইংল্যান্ডদেশের ১১ অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার আভাস, বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

পাকিস্তানের জনক জিন্নাহার মূর্তি বোমা হামলায় উড়িয়ে দিয়েছে বালোচ বিদ্রোহীরা

পাকিস্তানের জনক জিন্নাহার মূর্তি বোমা হামলায় উড়িয়ে দিয়েছে বালোচ বিদ্রোহীরা

পাকিস্তানের জনক মোহম্মদ আলী জিন্নহার মূর্তি বোমা হামলায় উড়িয়ে দিয়েছে বালোচ বিদ্রোহীরা। বালুচ রিপাবলিকান আর্মির মুখপাত্র ববগর বালোচ ট্যুইট করে এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর রবিবার পাকিস্তানের গদর শহরে এই হামলার দায় পাকিস্তানে নিষিদ্ধ বালোচ লিবারেশন ফ্রন্ট নিজেদের কাঁধে নিয়েছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন অনুযায়ী, সুরক্ষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত মেরিন ড্রাইভে জুন মাসেই পাকিস্তানের সংস্থাপক মোহম্মদ আলী জিন্নাহর ওই মূর্তিটি লাগানো হয়েছিল। আর সেটিকে এবার বোমা দিয়ে উড়িয়ে দিল বালোচ বিদ্রোহীরা। রিপোর্ট অনুযায়ী, এই হামলায় মূর্তিটি সম্পূর্ণ ভাবে নষ্ট হয়ে গিয়েছে।

বিবিসি উর্দুর রিপোর্ট অনুযায়ী, বালুচ রিপাবলিকান আর্মির মুখপাত্র ববগর বালোচ ট্যুইট করে এই বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে। বিবিসি উর্দু গদারের কমিশনার আবদুল কবীর খানের থেকে জানতে পেরেছে যে, এই মামলায় উচ্চতম স্তরে তদন্ত কর হবে।

কবীর খান বলেছেন, বালোচ বিদ্রোহীরা পর্যটক রূপে এলাকায় আসে আর বিস্ফোটক লাগিয়ে জিন্নাহর মূর্তি উড়িয়ে দেয়। কবীর জানান, এখনও কাউকে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়নি তবে আগামী দু-এক দিনের মধ্যে তদন্ত পূর্ণ করে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। উনি জানান, খুব শীঘ্রই আমরা দোষীদের ধরে ফেলব।

এর আগে ২০১৩ সালে বালোচ বিদ্রোহীরা জিয়ারতে জিন্নাহর ১২১ বছরের পুরনো বাড়ি বিস্ফোট করে ধ্বংস করে দিয়েছিল। বিস্ফোটের ফলে জিন্নাহর বাড়িতে আগুন লেগে গিয়েছিল আর চার ঘণ্টা পর্যন্ত সেই আগুন জ্বলতে থাকে। বলে দিই, অসুস্থ হওয়ার পর জিন্নাহ নিজের জীবনের শেষের দিনগুলি ওই বাড়িতেই কাটিয়েছিলেন। পাকিস্তান সরকার বাড়িটিকে রাষ্ট্রীয় স্মারকও ঘোষণা করেছিল।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।