× Banner
সর্বশেষ
বগুড়া-২ আসনে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’ উপলক্ষে শিক্ষকদের নিয়ে মতবিনিময় সভা বর্তমান সংসদের দিকে তাকিয়ে আছে দেশের ১৮ কোটি মানুষ – ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ফ্যাসিবাদ উৎখাতের পর্ব শেষ, এখন আমাদের দেশ গড়ার পালা – তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের রাজধানীর দুই মেট্রো স্টেশনে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, ঘিরে রেখেছে পুলিশ ‘বিশ্বকাপ বিক্রি’র পরিকল্পনা বাতিলের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ফিফাকে সতর্ক করল এএফসি র‍্যাবের ‘আয়না ঘর’ পরিদর্শনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকেরা মোবাইল ফোনে কার্টুন দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ বৈশ্বিক সংকট কাটাতে ও মানবতা বিকাশে সার্বজনীন দর্শনের বিকল্প নেই :তথ্যমন্ত্রী ডেঙ্গু নিয়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

৮৭ বছরের ইউপি সদস্য মানিক বয়স্ক ভাতা পেতে দারে দারে ঘুরছেন

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০১৯

সচ্চিদানন্দদেসদয়,আশাশুনি,সাতক্ষীরাঃ আশাশুনি সদর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বলাবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মনিক চন্দ্র সানা। জন্ম ১৯৩১ সালের ২২ অক্টোবর। খাতা কলমে প্রায় ৮৭ বছর। একটি বয়স্কভাতার কার্ডের জন্য আজ দু’বছর হলো সমাজসেবা অফিসে ঘুরছেন। কিন্তু কার্ড আজও তার ভাগ্যে জোটেনি।

রবিবার (১২ মে) দুপুরে তিনি সমাজসেবা অফিসের ইউনিয়ন সমাজকর্মী চন্দ্র মল্লিকা সাহানীকে খুঁজতে অফিস ঘুরে তার বাসায় যান। দেখা না পেয়ে তার বাসার গেটের পাশে ঘাসের উপর শুয়ে পড়েন। বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিকদের চোখে পড়ে। তারা বৃদ্ধ মানিক চন্দ্রকে তুলে নিয়ে চায়ের দোকানে এনে তার কথা শুনে বিস্মিত হয়ে পড়েন। কথা বলার শুরুতে তিনি ঝরঝর করে কেঁদে ফেলেন। তিনি জানান, যৌবনকালে তিনবার ইউপি সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলাম।

৩ ছেলের মধ্যে দুটো থাকে ভারতে। একটি ছেলে (খগেন্দ্র) সামান্য জমিতে মাছের ঘের করলেও বাগদায় ভাইরাস লাগায় সেও একেবারে কপর্দক শুণ্য। সংসার চলেনা। তাই বাধ্য হয়ে প্রায় দুবছর যাবত সমাজসেবা অফিসে একটি বয়স্ক ভাতার কার্ডের জন্য ঘুরছি। অফিসের লোক দুবার আমার আইডি কার্ডের (৮৭১০৪১৭৬৯৬৩৬৭) ফটোকপি নিয়েছেন কিন্তু অজ্ঞাত কারনে আজও কার্ড হয়নি।

তিনি বলেন, রবিবার প্রখর রোদে অফিসে এসেছিলাম বাড়ী থেকে ১০টি টাকা হাতে নিয়ে প্রায় ৭ কি:মি: পথ পায়ে হেঁটে। দুপুরের ঝাঁ ঝাঁ রোদে ক্ষুধার্ত অবস্থায় মাথা ঘুরতে থাকায় চন্দ্রমল্লিকার বাসার সামনে ঘাসের উপর শুয়ে পড়েছিলাম। তিনি আরো বলেন হোটেলে গিয়েছিলাম ভাত খেতে। ১০ টাকায় ডাল ভাতও হয়না তাই চলে এসেছি।

সাংবাদিকরা তার খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিলে কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, পরিস্থিতি আর নিয়তি এখানে নিয়ে এসেছে। অসহায় ছেলের বোঝা হয়ে থাকতে বড় কষ্ট হয়। বাবা আর হয়ত বেশি দিন তোমাদের কষ্ট দেব না। দেখ চেষ্টা করে যদি কিছু করতে পার।

এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান স ম সেলিম রেজা মিলন বলেন, মানিক চন্দ্র সানা আমার তালিকা জমা দেওয়ার পর আমার সাথে যোগাযোগ করেছেন। ৬ নং ওয়ার্ডের মেম্বরও তার তালিকায় ওনার নাম দেননি। ওনাকে বলেছি এর পরের তালিকায় অবশ্যই তার নাম দেব।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..