মোঃমাসুদুর রহমান শেখ,শার্শা বেনাপোল প্রতিনিধি: উদ্বোধনের দীর্ঘ ৩ বছরের মাথায় চালু হতে যাচ্ছে বেনাপোল স্থলবন্দর আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন।
২ জুন (শুক্রবার) বিকেল ৪টায় নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহাজান খান এমপি টার্মিনালটির আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম চালুর সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
এর আগে ২০১৩ সালের ২৩ আগস্ট নৌমন্ত্রী এ প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষ এতোদিন তা চালু করেনি।
জানা যায়, বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ব্যবসা, ভ্রমণ, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কাজে প্রতিদিন প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার দেশি-বিদেশি পাসপোর্ট যাত্রী ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াত করছেন। এখান থেকে ভ্রমণ কর বাবদ সরকার প্রতি বছর প্রায় একশ’ কোটি টাকার কাছাকাছি রাজস্ব আয় করে। কিন্তু শুরু থেকে এ পথে যাত্রীসেবার মান খুব নাজুক অবস্থা ছিল।
অবশেষে যাত্রীসেবায় সরকার ৭ কোটি ৬৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বেনাপোল চেকপোস্টে আন্তর্জাতিকমানের প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরি করে। কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষের অবহেলার কারণে এতোদিন তা চালু হয়নি। ফলে যাত্রীরা বঞ্চিত হচ্ছিলেন তাদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে।
বেনাপোল পৌর মেয়র আশরাফুল আলম লিটন বলেন, বিভিন্ন বৈঠকে যাত্রী ভোগান্তির বিষয়টি আলোচনায় আসার এক পর্যায়ে আন্তর্জাতিক বাস ও প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল তৈরির স্বপ্নপূরণ হয় বেনাপোলবাসীর। কিন্তু সেই স্বপ্নপূরণ হলেও তার সুফল যাত্রীরা ভোগ করতে পারছিলেন না। এখন এটি চালু হলে মানুষ কাঙ্ক্ষিত সেবা পাবেন।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মনির হোসেন মজুমদার বলেন, প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবন চালু হলে যাত্রীরা সেখানে মাত্র ৩৩ টাকার বিনিময়ে বিশ্রামের জন্য দিনভর অবস্থান করতে পারবেন। একই ভবনের নিচে থাকছে ঢাকা-কলকাতাগামী যাত্রীবাহী পরিবহন কাউন্টার ও ক্যান্টিনে খাওয়ার ব্যবস্থা। এতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন।
বেনাপোল স্থলবন্দরের উপপরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিভিন্ন জটিলতার কারণে এতোদিন টার্মিনালটি চালু করতে বিলম্ব হয়েছিল। বন্দরে আরো অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।




