× Banner
সর্বশেষ
এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট নয়াদিল্লিতে ফের উত্তেজনা, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ৫ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম, ব্রেন্ট ছাড়াল ৯৬ ডলার হাম ও ডেঙ্গুর দ্বৈত আতঙ্কে দেশ, বাড়ছে শিশু ও সাধারণ মানুষের ঝুঁকি দেশের ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া র পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চীনের ১ লাখ ডলার সহায়তা: বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৬ শ্রাবণ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন

হয়রানি, দালালির অভিযোগে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া আ.লীগের সভাপতি অবাঞ্ছিত

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৩ জানুয়ারী, ২০১৭

ময়মনসিংহ প্রতিবেদকঃ টিআর, কাবিখা ও কর্মসৃজন প্রকল্পের টাকা লোপাট এবং পুলিশ দিয়ে নিরীহ মানুষ ধরে এনে টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়াসহ নানা অভিযোগে ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মান্নান আকন্দকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে।

ধোবাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল উদ্দিন জানান, আগামী দু-একদিনের মধ্যেই সভা করে মান্নানকে অব্যাহতি দেওয়া হবে। বিষয়টি লিখিতভাবে জানানো হয়েছে স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) জুয়েল আরেংকে।

হেলাল উদ্দিন আরো জানান, ২০০৮ সাল থেকেই মান্নান এসব অপকর্ম করছেন। তিনি থানার সামনে একটা ‘চেম্বার’ বানিয়েছেন। এলাকার নিরীহ মানুষ থানায় আইনি সহায়তা নিতে এলে মান্নান তাঁদের পুলিশের কাছে দরখাস্ত দিতে পরামর্শ দিয়ে আসছেন। দরখাস্তে উল্লেখিত নিরীহ মানুষকে ধরে নিয়ে আসে পুলিশ। পরে রাত ১২টার পর টাকার বিনিময়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয় । মান্নান আকন্দ ও পুলিশ মিলে সে টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নিজেদের পকেট ভারি করে। সেই টাকায় থানার পাশেই মান্নান তিনতলা পাকা বাড়ি তৈরি করেছেন।

হেলাল উদ্দিনের অভিযোগ, মান্নানের চেম্বার এখন বাড়িতেই। প্রয়াত এমপি প্রমোদ মানকিনের প্রভাব খাটিয়ে মান্নান বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে থানার দালালি করে অবৈধভাবে কয়েক কোটি টাকা কামিয়েছেন বলেও দাবি হেলালের।

ধোবাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়তোষ বিশ্বাস বাবুল বলেন, ‘আমি ১৪ বছর ধরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অবস্থা নেওয়ায় আকন্দকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাঁর কোনো ব্যবসা নেই। পুলিশ দিয়ে মানুষ হয়রানি ও থানায় দালালির মাধ্যমে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন।’

তবে আবদুল মান্নান আকন্দ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর ছেলে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সদস্যপদে নির্বাচিত হয়েছে। এ নিয়ে চলা বিরোধ থেকে এসব অভিযোগ করা হচ্ছে।

ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শওকত আলম বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে তোলা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..