হারিয়ে যাচ্ছে রঞ্জক  উদ্ভিদ হেনা

বাংলাদেশের প্রতিটি পাড়া -মহলায় বা গ্রামে-গঞ্জে অহরহ মেহেদি গাছ পাওয়া যেত কিন্তু এখন অার অাগের মত অহরহ মেহেদি গাছ পাওয়া যায় না  গ্রামে-গঞ্জে। কালের গর্ভে বিলুপ্ত প্রায় এই মেহেদি গাছ। গ্রামবাংলায় সবার কাছে অত্যন্ত সুপরিচিত একটি উদ্ভিদ হচ্ছে মেহেদি। এটি মাঝারি অাকারের গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। মেহেদি গাছের ফুলের রং সাদা, অাকারে ছোট ও গোলাকৃতির হয়ে থাকে। পৃথিবীর সকল দেশে মেহেদি গাছ ‘হেনা’ নামে পরিচিত। মেহেদি রঞ্জক উদ্ভিদ।
এক ধরনের সপুষ্পক উদ্ভিদ, যার পাতা প্রাচীনকাল থেকে ত্বক, চুল, নখ, পশুর চামড়া ও পশম রঙিন করার কাজে ব্যবহৃত হয়ে অাচ্ছে। এই উদ্ভিদের পাতার সাথে অন্যান্য দ্রব্য মিশিয়ে অাধা-কৃএিম পদার্থ তৈরি করা হয়, সেটাও মেহেদি নামে পরিচিত।
ধর্মীয় অার সামাজিক অনুষ্ঠানে ও বিয়ের অনুষ্ঠানে মেহদি পাতার ব্যবহার বহুল প্রচলিত এবং মেহদি ফুল থেকে সুগন্ধি তৈরি করা হয়। রক্তক্ষরণ ও নানাবিধ চর্মরোগ নিরাময়ে মেহেদি গাছের ছাল ও বিচি ভেষজ ঔষধ হিসাবে প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে অাচ্ছে। মেহেদি পাতার রস মাথা ঠান্ডা রাখে।
রোদ বা গরমের কারণে মাথাব্যথা হলে মেহেদির ফুল বেটে সিরকার সঙ্গে মিশিয়ে কপালে প্রলেপ দিলে উপকার পাওয়া যায়। মালযেশিযা অার ইন্দোনেশিযার উপকুলীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর লোকজন এর সেদ্ধ  পাতা ও নরম কান্ডের পেস্ট ব্যবহার করতো অাঘাত পাওয়া স্থানে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।