× Banner
সর্বশেষ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্মারক সংবর্ধনা বুড়িগঙ্গায় তরল বর্জ্য নির্গমনস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ ভোলায় ৫ম শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ, তিন কিশোর গ্রেপ্তার টানা ৫ দিন অনশনের পর বিয়ে, তিন মাস পর মিলল মোনিয়ার ঝুলন্ত লাশ শ্যামনগরে ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সমাবেশ ও গণমিছিল জাল দলিলের অভিযোগ-কোটালীপাড়ায় দুই দলিল লেখক সাময়িক বহিস্কার জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বেনাপোলে বিএনপির আনন্দ র‌্যালি ও সমাবেশ ডাসারে পানিতে ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পুর্তি উপলক্ষে ঝিনাইদহে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণসমাবেশ শ্যামনগরে ফাইটার ক্যারাতে ক্লাবের বেল্ট প্রদান অনুষ্ঠান

আকাশ থেকে হলুদ রঙের বৃষ্টি পড়ায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাংলায়

Ovi Pandey
হালনাগাদ: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২০
হলুদ রঙের বৃষ্টি

আকাশ থেকে হলুদ রঙের বৃষ্টি পড়ায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে বাংলায়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে অ্যাসিড মিশ্রিত থাকায় বৃষ্টির জলের রং হলুদ ছিল।

আকাশ থেকে ঝরে পড়ছে গাঢ় হলুদ রঙের বৃষ্টি। মুরারই থানার রাজগ্রামের সন্তোষপুর এলাকায় হঠাত করে হলুদ রঙের এই বৃষ্টি হয়। শুক্রবার এই বৃষ্টি হয়। হঠাত করে এই বৃষ্টি নিয়ে তীব্র আতঙ্ক তৈরি হয়ে যায়। কয়েক সেকেন্ডের বৃষ্টির জেরে গাছের পাতা, বাড়ির উঠান, ছাদে হলুদ রঙের ছোপও পড়ে যায়। যা নিয়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

স্থানীয় মানুষজন জানাচ্ছেন, শুক্রবার সকাল থেকেই এলাকার আবহাওয়া বেশ কুয়াশাচ্ছন্ন ছিল। তবে বৃষ্টি হয়নি। বেলা বাড়তেই কিছুটা পরিস্থিতি বদলে যায়। আচমকা বৃষ্টি শুরু হয়ে যায়। আর তা সাধারণ নয়, স্থানীয় মানুষজন জানান, যেখানে জলের ফোঁটা পড়ছে, সেখানে হলুদ ছোপ পড়ে যাচ্ছে। হঠাত এমন ভাবে আকাশ থেকে হলুদ রঙের বৃষ্টি পড়তে দেখে তীব্র হৈচৈ বেঁধে যায়।

এলাকার মানুষজন জানাচ্ছেন, শিল্পাঞ্চল হওয়ায় আমাদের গ্রামে পাথরের গুঁড়ো উড়ে এসে পড়ে জানি। তাতে গাছের পাতা, বাড়ির ছাদে পাথরের গুঁড়োর আস্তরণ পড়ে যায়। কিন্তু, আগে কোনও দিন এরকম হলুদ রঙের বৃষ্টি হতে দেখা যায়নি বলেই জানাচ্ছেন স্থানীয় মানুষজন। আর তাতেই এলাকায় ভয়ের পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে।

অনেকেই আতঙ্কে বাড়ির বাইরে আসছেন না বলেও জানা যাচ্ছে। যদিও এর মধ্যে তেমন কোনও ভয়ের কারণ নিয়েই বলেই জানাচ্ছেন গবেষকরা। গবেষকরা জানাচ্ছেন, গোটা এলাকা পাথুরে। অবশ্যই শিল্পাঞ্চলও বটে। আর তা হওয়ার কারণে ওই এলাকায় বাতাসে ব্যাপক দূষণ। তার জেরেই এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা। প্রাথমিকভাবে অনুমান, এক্ষেত্রে অ্যাসিড মিশ্রিত থাকায় বৃষ্টির জলের রং হলুদ।

সাধারণত কলকারখানা থেকে বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইড নির্গত হয়। বাতাসে সালফার ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে গেলে জলীয় বাষ্পের সঙ্গে বিক্রিয়ায় সালফিউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়। যদিও নমুনার পরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের একাধিক শিক্ষকের মতে, জলের সঙ্গে ওই অ্যাসিড মিশে বৃষ্টির মাধ্যমে নেমে এলে তাকে অ্যাসিড বৃষ্টি বলা হয়। অ্যাসিড বৃষ্টিতে ফসল, গাছপালার ক্ষতি হয়। ওই বৃষ্টির জল মানুষের গায়ে লাগলে চামড়া পুড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..