সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ. এম এরশাদের শাসন আমল ছিল স্বর্ণযুগ

শরীয়তপুর : জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক এ্যাড. মাসুদুর রহমান বলেছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচ. এম এরশাদের শাসন আমল ছিল স্বর্ণযুগ। তাঁর আমলেই দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। দেশের মানুষ সুখেঃ শান্তিতে ছিল। জাতীয় পার্টি কথার রাজনীতি করে না, কাজের রাজনীতি করে। দেশ ও জাতির জন্যই রাজনীতি করে।

পল্লীবন্ধু এরশাদ তাঁর নয় বছরের শাসনামলে উন্নয়ন করে তা প্রমাণ করেছেন। বাংলাদেশের এমন কোনো ইউনিয়ন বা গ্রাম নেই যেখানে এরশাদের উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। তাই আগামীতে আবারও এইচ. এম এরশাদের জাতীয় পার্টিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। এজন্য পার্টির সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এছাড়াও এরশাদের সুস্থ্যতা’র জন্য দোয়া করতে হবে। সম্প্রতি জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু আলহাজ্ব হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রোগ মুক্তি কামনায় শরীয়তপুর কোর্ট এলাকায় তার (এ্যাড. মাসুদুর রহমান) কার্যালয়ে দোয়া ও তবারক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব বদরুল আলম নান্নু মুন্সী, সদস্য জানে আলম মুন্সী ও ওয়াহিদুর রহমান, সদর উপজেলার সভাপতি সুধীর চন্দ্র ধর, নড়িয়া উপজেলার সভাপতি বাদল বন্দুকছি, জেলা জাতীয় শ্রমিক পার্টির সাধারন সম্পাদক সাহিদ সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু কালাম রাড়ী, সহ-সভাপতি রিপন সহ জাতীয় পার্টি ও অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন, মাওলানা জিয়াউল হক।

এদিকে জানাযায়, শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে শরীয়তপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক এ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান ব্যাপক আলোচনায় ! আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে শরীয়তপুর-১ (পালং-জাজিরা) আসনে পুনরায় জাতীয় পার্টির মনোনয়ন পেতে ব্যাপক ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সাংস্কৃতি ব্যক্তিত্ব এ্যাডভোকেট মোঃ মাসুদুর রহমান। তিনিই এখন ব্যাপক আলোচনায়। দলীয় ও স্থানীয় সূত্রমতে, শরীয়তপুর-১ আসনে এবার পরিবর্তনের হাওয়া বইছে।

আর জনমুখী নানা ইতিবাচক কর্মকান্ড আর সুখে-দুঃখে সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে থাকা জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য ও শরীয়তপুর জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক এ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে এবারও বিভিন্ন ভাবে এগিয়ে আছেন। আগামী নির্বাচনে এই আসনে তিনিই লাঙ্গল প্রতীকের লড়বেন এটা প্রায় নিশ্চিত। তাই সুখে-দুখে জনতার পাশে থাকা দলীয় কর্মকান্ড ও আন্দোলনে অন্যতম সাহসী ভূমিকা পালনকারী মাসুদুর রহমানকে নিয়ে শরীয়তপুর-১ আসনের দলীয় নেতাকর্মীরা স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। বিভিন্ন ইতিবাচক কর্ম আর বিচক্ষণ নেতৃত্বগুণে ইতিমধ্যে শরীয়তপুর-১ তথা পালং-জাজিরা বাসীর আস্থা ও ভালাবাসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন তিনি। তাই তারা জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাবেক রাষ্ট্রপতি এইচএম এরশাদের স্নেহধন্য মাসুদুর রহমানকেই শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি হিসেবে পেতে চায়। তিনি তার নিজ নির্বাচনী এলাকায় নানান কর্মকান্ডে আত্মনিয়োগ করছেন। দলীয় কর্মসূচির পাশা-পাশি সামাজিক ও সেবামূলক কর্মকান্ডে তাকে সক্রিয়ভাবে যোগ দিতে দেখা গেছে।

এছাড়া তার নেতৃত্বেই দলীয় সকল কর্মকান্ড চলছে। আর তিনি নিজ নির্বাচনী এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন বলেও জানা গেছে। অন্যদিকে এই নির্বাচনী এলাকার জনগণও তাকে সাদরে গ্রহণ করছে বলেও জানিয়েছে একটি সূত্র। এ ব্যাপারে শরীয়তপুর-১ আসনের অনেকেই বলেন, মাসুদুর রহমান এ আসনের জনসাধারণকে যেভাবে বুকে জড়িয়ে নিয়ে, তাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন, তা সত্যি অভূতপূর্ব। এছাড়া সে হাসি মুখে অনেকেরই মন জয় করে নিয়েছেন। তাই আমরা তাকেই আগামীতে সংসদ নির্বাচনে এই শরীয়তপুর-১ আসনের এমপি হিসেবে পেতে চাই। তিনিই এখন ব্যাপক আলোচনায়।

এ ব্যাপারে এ্যাডভোকেট মাসুদুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাদের আশা-আকাঙ্খার কথা জেনেছি। স্বাধ্যমত তাদের সেবা করেছি। এবারও দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে বিজয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। তবে পল্লীবন্ধু এইচএম এরশাদের নির্দেশ পেলেই আমি নির্বাচনে অংশ নিতে আগ্রহী। আর দলীয় কর্মকান্ড ও আন্দোলনে সাহসী ভূমিকা পালন করেছি। তাই দল আমাকে অতীতে মূল্যায়ন করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে এটাই আমার দৃঢ় বিশ^াস। তিনি আরও বলেন, জাতীয় পার্টির শাসন আমল ছিল দেশের স্বর্ণ যুগ, তাই জাতীয় পার্টিকে আবারও ক্ষমতায় আনতে হবে। আর আমি সারা জীবন মানুষের কল্যাণে ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করতে চাই।

এ জন্য সকলের দোয়া ও আর্শিবাদ কামনা করছি। অন্যদিকে মাসুদুর রহমান বিগত নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ায় এবারও তিনি মনোনয়ন পাবেন বলে দৃঢ় আশাবাদী তার সমর্থকরা। তারা বলেন, তিনি নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত দলীয় কর্মসূচিসহ পথসভা, মতবিনিময় ও গণসংযোগ এবং সামাজিক অনুষ্ঠানেও যোগ দিচ্ছেন। এছাড়া তার নেতৃত্বেই দলীয় সকল কর্মকান্ড চলছে। আর তিনিই দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন। বিভিন্ন দূর্ঘটনায় কবলিতদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখেন। তাই তিনিই আবারও মনোনয়নের দাবিদার। তারা আরও বলেন, বিগতদিনে দলের জন্য তার অনেক ত্যাগ রয়েছে। তার ত্যাগ ও ব্যক্তিগত ক্লিন ইমেজের কারণে তিনি মনোনয়ন পেলেই এমপি নির্বাচিত হবেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।