× Banner
সর্বশেষ
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করতে পারেন, দাবি রয়টার্সের টিপকাণ্ডে বরখাস্ত কনস্টেবল নাজমুল তারেককে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত

সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নজরুলের সমাধিতে

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার: আজ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী।

শনিবার সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে সমাহিত জাতীয় কবি নজরুল ইসলামকে ফুলেল শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন নজরুলপ্রেমীরা।

সকাল ৭টায় কবি পরিবারের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান কবির নাতনি খিলখিল কাজী। এরপর একে একে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল, জাতীয় জাদুঘর, নজরুল ইনস্টিটিউট, বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমি, আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবক লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলসহ বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তির ব্যানারে কবির মাজারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের কথায় উঠে আসে নজরুলের অসাম্প্রদায়িক চেতনার কথা। বিশ্বব্যাপী চলমান জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদকে রুখে দিতে আজও কবির লেখনী অনেক বেশি কার্যকর বলে মনে করেন তারা।

শ্রদ্ধার্ঘ অপর্ণ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, শুধু সিলেবাসে কিংবা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে নয়, নজরুলকে চেতনায় ধারণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের কাছে নজরুলের দর্শন উপস্থাপনের দায়িত্ব নিতে হবে। অন্যায়, অপরাধ, দুর্নীতি, সাম্প্রদায়িকতা রুখে দিতে নজরুলের চেতনা ধারণ করতে হবে।

আরেফিন সিদ্দিক বলেন, বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও নজরুল ইসলাম ছিলেন একাধারে কবি, সংগীতজ্ঞ, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, চলচ্চিত্রকার, গায়ক ও অভিনেতা। তিনি বৈচিত্র্যময় অসংখ্য রাগ-রাগিনী সৃষ্টি করে বাংলা সঙ্গীত জগৎকে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। প্রেম, দ্রোহ, সাম্যবাদ ও জাগরণের কবি নজরুলের কবিতা-গান শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করে জাতিকে। তার কবিতা, গান ও সাহিত্যকর্ম বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টি করেছিল।

১৩০৬ সালের ১১ জ্যৈষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে এক দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণ করলেও নজরুল ইসলাম ছিলেন লেখনীতে শ্রেষ্ঠ। ডাক নাম ‘দুখু মিয়া’। সংগ্রামের মাধ্যমে সকল দুঃখকে মোকাবিলা করেছেন তিনি।

প্রয়াণ দিবসে কবির স্মরণে আলাদা আলাদা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নেওয়া কর্মসূচিসমূহ হচ্ছে- বাদ ফজর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে কোরআনখানি, সকাল ৭টায় কলাভবন প্রাঙ্গণে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, অফিসার ও কর্মচারীগণ জমায়েত হয়ে সকাল সোয়া ৭টায় উপাচার্যের নেতৃত্বে শোভাযাত্রা সহকারে কবির মাজারে গমন, পুষ্পস্তবক অর্পণ ও সুরা ফাতেহা পাঠ। এরপর কবির মাজার প্রাঙ্গণে উপাচার্যের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..