শ্যামা পূজাতে বাঁধা মামলা করে হয়রানি

চট্টগ্রামের সর্ববৃহৎ হিন্দু ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠি বসবাসকারী এলাকা ফতেয়াবাদ চৌধুরীহাটে ১৯৯৩ সালে জনৈক নির্মল নন্দীর পরিত্যাক্ত বসতভিটা স্থানীয় কিছু মানুষের যোগসাজসে নাম মাত্র মূল্যে দখল করে নেয় এপিএবি বোরা নামের এই কোরিয়ান এঞ্জিও কোম্পানীটি। শুরুতে স্থানীয় গরীব বসবাসকারীদেরকে নানা রকম উপটৌকন, টাকা পয়সা দিয়ে পক্ষে এনে বাউন্ডারী ওয়াল দিয়ে দালানকোঠা বানিয়ে থিতু হলে পর ভেসে উঠে এদের সাম্প্রদায়ীক কদর্য চেহারা। কমপ্লেক্সের ভিতরে থাকা ছয়টি পরিবারকে উচ্ছেদ করে দুস্থদের সেবার নামে বিদেশ থেকে কোটি কোটি টাকা এনে সেই পরিবারগুলাকে শতাধিক মামলা দিয়ে নাস্তানাবুদ বানিয়ে ছাড়ে। এদের একটা কিন্ডারগার্টেন স্কুল আছে যেখানে এলাকার নেতৃস্থানীয়দের ছেলেমেয়েদের চড়া বেতনে লেখা পড়া করানোর নামে নেতাদেরকে ” অভিবাবক সমিতি” নাম দিয়ে তাদেরকেই এলাকার স্বার্থবিরোধী কাজে ব্যাবহার করে আসছে। প্রশাসন, পুলিশ, টিএনও ইত্যাদিকে বিভ্রান্ত করে আশেপাশের স্থানীয় জনগনকে নানা হেনস্থার মাধ্যমে উচ্ছেদ করার এক কদর্য অনৈতিক কাজে এরা লিপ্ত। সম্প্রতি এই কোম্পানীর দেয়াল সংলগ্ন স্থানে ১৯৮৮ সন থেকে করে আসা শ্যামা পূজার উপর পরেছে এদের সাম্প্রদায়ীক রোষানল। এলাকার জনপ্রিয় এবং সর্বস্বীকৃত সংগঠন ফতেয়াবাদ পূজা উদযাপন পরিষদের লিখিত অনুরোধ এবং এলাকাবাসীর অনুরোধ সত্বেও এরা এদের কম্পাউন্ডের বাইরে এই শ্যামা পূজাটি যাতে করতে না পারে তার জন্য থানা প্রশাসনকে বিভ্রান্ত করে নিরপরাধ ব্যাক্তিবর্গের নামে মামলা দিয়ে এলাকার বহুকালের অসাম্প্রদায়ীক ঐতিয্যকে ধুলায় মিশিয়ে দিয়ে সেবা বানিজ্য করতে চায়। এদের মামলা হামলার ভয়ে এলাকার যুবকরা অনেকেই এখন ঘরছাড়া। অসাম্প্রদায়ীক বাংলাদেশে সেবার নামে কট্টর সাম্প্রদায়ীক এই বেনিয়াদের বিরুদ্ধে এখনই সময় রুখে দাড়াবার।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।