ভোলায় ৯ বছরের শিশু ছাত্রী ৬ মাসের অন্তঃস্বত্তা, ধর্ষকের পাশাপাশি বাবা-মাকে সমান দোষী করছেন এলাকাবাসী

ভোলা প্রতিনিধিঃ ভোলার চরফ্যাশনের এওয়াজপুর ইউনিয়নে চতুর্থ শ্রেণীর ৯ বছরের এক শিশু ছাত্রী অন্তঃস্বত্তার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনা জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

আজ মঙ্গলবার বিকালে এ ঘটনার ঐ ছাত্রীর পিতা বাদী হয়ে আওলাদ নামের এক নির্মান শ্রমিককে আসামী করে চরফ্যাশন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

আওলাদ চরফ্যাশন উপজেলার শশীভূষণ থানার এওয়াজপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের আবদুল মালেকের ছেলে।

পুলিশ ও পরিবার জানায়, গত কয়েক মাস যাবত ওই ছাত্রীর স্কুল সংলগ্ন এলাকায় নির্মানাধীন ভবনের রাজ মিস্ত্রিরির হেলপার হিসেবে কাজ করছিলেন আওলাদ। কাজের সুবাধে স্কুল পড়ুয়া শিশু শিক্ষার্থীর সাথে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সুত্রধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

এরপর থেকে আওলাদ কয়েক মাস যাবত শিশু শিক্ষার্থীকে নির্মানাধীন ভবনে নিয়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিক বার ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে শিশু শিক্ষার্থী ৬ মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়ে।

চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সামসুল আরেফিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

অন্তঃস্বত্তার বিষয়টি পরিবারে জানাজানি হলে বিয়ের জন্য আওলাদকে বললে সে কাজ ছেড়ে কর্মস্থল থেকে গা-ঢাকা দেয়।

এলাকাবাসী জানান, ৯ বছরের একটা শিশু যদি দিনের পর দিন ধর্ষণ হয় আর তার পরিপ্রেক্ষিতে অন্তঃস্বত্তা হয় এটা শুধুমাত্র লজ্জাজনক ই নয় ভয়াবহ ও বটে। তারা আওলাদের পাশাপাশি ওই শিশুর বাবা-মাকেও সমান দোষী করছে। কারন এই ঘটনা একদিন দুদিনের নয়। আজ তার মেয়ে ৬ মাসের অন্তঃস্বত্তা। তারা এতদিন কি করেছে ? যখন  শিশুর শুধুই খেলাধুলা-পড়াশুনা করার বয়স ও সময় তখন একটা বাচ্চা মা হচ্ছে এটা তারা খেয়াল ই করেনি।

গ্রামের লোকজন আরো বলেন, ওই শিশুকে যখন দিনের পর দিন ওই হেলপার ধর্ষণ করত তখন কেন তার বাবা-মা খেয়াল করেনি। যদিওবা না বুঝেছে, ওই বাচ্চাটা যে ৬ মাস ধরে অন্তঃস্বত্তা সেটা তারা বুঝতে কেন এতদিন লাগাবে? এই বাচ্চাটা আরেকটা বাচ্চা জন্ম দেয়া যেমন রিস্ক তেমনি তার ভেতর বেরে ওঠা বাচ্চাটা না রাখতে চাইলে সেটা আরো রিস্ক।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Brinda Chowdhury
সংবাদ প্রতিনিধি

Brinda Chowdhury

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।