রাজবাড়ী-২ আসনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনয়নপ্রাপ্ত জিল্লুল হাকিমের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদকঃ পাংশা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, রাজবাড়ী হিন্দু, বৌদ্ধ, খিসট্রান ঐক্য পরিষদের নেতা দিবালোক কুণ্ডু জীবন বাবুকে হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্যে গতকাল সন্ধায় ঢাকা থেকে রাজবাড়ী যাওয়ার পথে গাবতলী বাস স্ট্যান্ডে গেলে জিল্লুল হাকিমের ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনী জোরপূর্বক মাইক্রোতে তুলে হাতুরী দিয়ে পিটিয়ে অর্ধমৃত অবস্তায় সাভার আশুলিয়ায় ফেলে যায়।  বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব এ্যাডভোকেট গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক।
বর্তমানে জীবন বাবু ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি আছেন।
রাজবাড়ী-২ আসনে জিল্লুল হাকিমের আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিশ্চিত হলে আরেক মনোনয়ন প্রত্যাশী বাংলাদেশ স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ স্বাচিপের সভাপতি অধ্যাপক ডা. এম. ইকবাল আর্সলানের সমর্থক মাগুরাডাঙ্গী গ্রামের পরিবার পরিকল্পনা সহকারী মেহেদী হাসান, মজনু ও আব্দুল কাদেরকে মারধোর করেছে জনির নেতৃত্বে, ফরহাদ, রুবেল, শাকিব, আলিফ, রিপন। আহত অবস্থায় মেহেদী হাসানকে পাংশা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং মজনু ও আঃ কাদেরকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছিল।আরেক দিকে সংসদ হাকিমের অনুগত পাট্ট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুর রব মনার নির্দেশে ডাবলু হান্নানকে বেধকর হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।।
এছাড়াও মোঃ জিল্লুল হাকিমের ডানহাত অনুগত মামুন মৌল্যার বিরুদ্ধে রয়েছে অসংখ্য হিন্দু নির্যাতন এবং হিন্দুদের জায়গায় জমি জবরদখলের অভিযোগ। বালিয়াকান্দির কানাই পাড়ার গোবিন্দ কর্মকার পাংশার দুলাল দে, বালিয়াকান্দির দেওকল মৌজার ডাঃ সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, কৃষ্ণপদ বিশ্বাস, সুশান্ত সরকার, স্বপন বিশ্বাস, চামটা গ্রামের পরিমল মন্ডল সহ অনেকে ভয় ভীতি হুমকি এবং প্রাশাসনিক সহযোগিতার অভাবে এখনো নিরবে চোখের জল ফেলছে, কেউবা দেশত্যাগ করে ভারতে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয়েছেন।
সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বালিয়াকান্দির জঙ্গল ইউনিয়নের সংখ্যালঘুরা, ইউপি চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র নাথ বিশ্বাস ও ইউপি সদস্য অভিমন্যু কে হত্যার হুমকি সহ বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এনে পুরো ইউনিয়নকে করেছে মাদকের অভয়ারণ্যে! স্থানীয় হিন্দুদের উপর এমন কোন অপরাধ নাই যা মামুন মোল্লা করে নাই অথচ এমপি জিল্লুল হাকিমের কাছে হিন্দু সম্প্রদায়ের এইসব অভিযোগ কখনো গুরুত্ব পায়নি। উনার মদদে আরো যাদের বিরুদ্ধে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনের অভিযোগ আছে তারা হলো ওদুদ সরদার, শুকুর আলী, সোবহান, রিপন সরদার সহ অনেকেই।
এমনকি এমপি পুত্র মিতুল হাকিমের বিরুদ্ধেও অনেক অভিযোগ লোকমুখে প্রচলিত আছে। এই এমপির উপর শুধু স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের নয়, নিজ দলের বহু ত্যাগী নেতা কর্মীদের রয়েছে অত্যাচার নির্যাতন, মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি সহ বহু অভিযোগ।
কিছু দিন পূর্বে মোঃ মামুন মৌল্যা জংগল ইউনিয়নের জংগল বাজারে ডাঃ দেবুকে বিনাকারনে মেরে আহত করে।অথচ এই মামুন মৌল্যাই মাস খানেক আগে চাঁদাবাজী করতে গিয়ে জনতার হাতে গনপিটুনীর মুখে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়,জিল্লুল হাকিম জানতে পেরে তাঁকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।