× Banner
সর্বশেষ
শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’ বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রকল্পে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে – আফরোজা নতুন কুঁড়ি ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন সিলেট-রংপুর নারী ও কন্যাশিশুর বিরুদ্ধে সহিংসতা জাতীয় সংকটে পরিণত হয়েছে – মহিলা পরিষদ কালীগঞ্জের পত্রিকা বিতরণকারী জাহাঙ্গীরের মৃত্যু গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজে আয়নার দায়িত্ব পালন করে – তথ্যমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা চীনা ইকোনোমিক জোন শিল্পায়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে – অর্থমন্ত্রী স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য নীতিমালা প্রণয়নে সম্পাদকদের সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী

রাজনৈতিক জীবনে খালেদা জিয়া জেলে কেমন ছিলেন!

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদকঃ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে মোট চারবার গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে, ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর তিনি তিন দফায় গ্রেফতার হন তবে এই সময় তাকে বেশীদিন আটক থাকতে হয় নি ।

সর্বশেষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর দূর্নীতির মামলায় ভোরে খালেদা জিয়াকে তার তৎকালীন ক্যান্টনমেন্টের মইনুল হক রোডের বাসা গ্রেফতার করে পুলিশ । বাসা থেকে তাকে সরাসরি সিএমএম আদালতে নিয়ে গিয়ে খালেদার আইনজীবিরা জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে জাতীয় সংসদ ভবন এলকার স্থাপিত বিশেষ সাব জেলে আটক করে রাখা হয় বেগম জিয়াকে।

কারাগারের মধ্যে সারাদিন ইবাদত করে এবং লেখালেখি করে দিনের বেশীর ভাগ সময় কাটাতেন খালেদা জিয়া। জেলের মধ্যে তিনি খুবই সামান্য খেতেন । কারাগার থেকে যা দেওয়া হতো তাই খেতেন খালেদা জিয়া তবে তার পেঁপের তরকারি পচন্দের খাবার ছিল বলে একাধিক গনমাধ্যমে পরবর্তীতে সেই খবর প্রকাশ পায় বিভিন্ন সূত্রে। এছাড়াও তিনি সাব জেলে অবস্থান করার সময় অনান্যদের সাথে কম কথা বলতেন বলে জানা যায়।

জেলে থাকার সময় ২০০৭ সালের ১৪ অক্টোবর মাসে তিনি ঈদুর ফিতর জেলেই পালন করেন । ঈদের দিন তারেক রহমান ও আরাফাত রহমানের স্ত্রী ও সন্তানরাসহ পরিবারের ১০ সদস্য খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করেন। দেখা করার সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ঈদের জন্য নতুন কাপড়, উন্নত খাবার ও ফুল দেওয়া হয় তাকে । উলে­খ্য এই সময় তার দুই সন্তান তারেক রহমান ও প্রায়াত আরাফাত রহমানও জেলে ছিলেন।

এরপর ২০০৭ সালের ২১ ডিসেম্বর কোরবানির ঈদও ওই সাব জেলেই পালন করার পর ২০০৮ সালের ১৮ জানুয়ারি খালেদা জিয়ার মা দিনাজপুরের বাসা মৃত্যুবরণ করলে পরের দিন ১৮ জানুয়ারি তার লাশ হেলিকপ্টারে করে মইনুল রোডের বাসায় নিয়ে আসা হয় । ৬ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ে লাশ দেখতে বাসায় যান খালেদা জিয়া, এসময় তিনি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছিলেন।

তারপর প্রায় ৯ মাস পর ২০০৮ সালের ১ জুন প্রথম বারের মত খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করা হয়।অবশেষে ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর এই সাব জেলে ৩৭২ দিন কাটানোর পর তিনি জামিনে মুক্তি পান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..