যে পাঁচ অধিকার নেই সৌদি নারীর

সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান দেশটিকে অতি-রক্ষণশীল অবস্থা থেকে বের করে আনতে সম্প্রতি বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। সৌদিতে এখন সিনেমা হল চালু হয়েছে। এছাড়া সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ ২০১৭ সালে একটি রাজকীয় ডিক্রি জারি করে দেশটির নারীদের রাস্তায় গাড়ি চালানোর অনুমতি দেন। আজ থেকে সৌদি নারীরা চালানো শুরু করেছেন গাড়িও।

সৌদি নারীরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি স্বাধীনতা ভোগ করছেন। তারপরেও বেশকিছু মৌলিক কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কাজ সৌদি নারীরা নিজেদের মতো করে করতে পারেন না। বিবিসি অবলম্বনে জেনে নেই সেগুলোর কথা।

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা

পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া সৌদি নারীরা কোনও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন না। সৌদি আরবে যে ‘গার্ডিয়ানশিপ প্রথা’ চালু রয়েছে, তার কারণেই এই বিধিনিষেধ।

পাসপোর্ট পাওয়া

গার্ডিয়ানশিপ প্রথার আরেকটি উদাহারণ। বিদেশ ভ্রমণের পাসপোর্ট পেতে হলে একজন সৌদি নারীর অবশ্যই একজন পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি লাগবে।

বিয়ে কিংবা বিয়েবিচ্ছেদ

বিয়ে কিংবা বিয়েবিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি দরকার হয়।

পুরুষ সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে রেস্টেুরেন্টে যাওয়া

সৌদি আরবে সব রেস্টুরেন্টেই পুরুষ আর মহিলাদের বসার জায়গা আলাদা। যারা পরিবার-পরিজন নিয়ে রেস্টুরেন্টে যাচ্ছেন, তাদের বসতে হয় পরিবার এবং মহিলাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে।

ইচ্ছেমতো পোশাক পরার স্বাধীনতা

নারীদের প্রকাশ্যে চলাফেরার সময় মুখ ঢাকতেই হবে, এমন বাধ্যবাধকতা নেই। কিন্তু মাথা থেকে পা পর্যন্ত কাপড়ে আবৃত থাকতে হবে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।