মেহের আমজাদ,মেহেরপুর (১৮-০২-১৮): মেহেরপুরে ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলায় ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর গল্প’ শীর্ষক স্মৃতিচারণ মুলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মেহেরপুর শহীদ ড. সামসুজ্জোহা পার্কে তিন দিন ব্যাপী ডিজিটাল উদ্ভাবনী মেলার ২য় দিনে জেলা প্রশাসনের আয়োজন ওই আলোচনা সভা অুষ্ঠিত হয় । অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশর মানুষ মনোযোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের গল্প শোনেন।
অতিরিক্তি জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট শেখ ফরিদ আহমেদের সভাপতিত্বে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর গল্প’ শীর্ষক স্মৃতিচারণ মুলক আলোচনা সভায় স্মৃতিচারণ মূলক গল্প শোনান জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বশির আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা কে.এম.আতাউল হাকিম লাল মিয়া, আব্দুৃল হালিম, ক্যাপটেন (অব:) আব্দুল মালেক, ইসমাইল হোসেন প্রমুখ।
স্মৃতিচারণ মুলক বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা কে. এম. আতাউল হাকিম লাল মিয়া বলেন, মুক্তিযুদ্ধ যখন শুরু করেছিলাম তখন শুধু একটাই ধ্যান-জ্ঞান ছিল কবে দেশকে স্বাধীন করবো- কবে স্বাধীনতা পাব। যুদ্ধকালীন সময়ে ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে যেতে বলা হলো। ভারত থেকে শত শত গাড়িতে করে লোকজন আসতে লাগলো মুজিবনগরের আম বাগানে। পরে জানলাম এখানে অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান হবে। সে সময় ওই মুজিবনগরের আমবাগানে কত হাজার লোক যে জমায়েত হয়েছিল তা দেখে অবাক হয়েছিলাম। ১৩২টি দেশের সাংবাদিক ওই শপথ গ্রহন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এর পর থেকে আমরা মুক্তিযোদ্ধারা ইউনিট কমান্ডারের নির্দেশমতে ভারতে চলে যায় প্রশিক্ষণ নিতে। সেখানে প্রশিক্ষণ শেষ করে আমি অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করি। মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হালিম স্মৃতিচারণ মূলক গল্প শোনানোর সময় বলেন, ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়্। পরবর্তীতে সারা বাংলাদেদেশের মানুষ বাঙ্গালীর অধিকার আদায়ের জন্য একত্রিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহন করেন।
‘মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধুর গল্প’ শীর্ষক স্মৃতিচারণ মুলক আলোচনা সভা শেষে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিক নিয়ে কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের মঝে পুরস্কুত করা হয়।




