মাদকাসক্তি

মো. আমির সোহেল: মাদকাসক্তিদের কর্মকান্ড পরিবার ও সমাজে প্রত্যক্ষভাবে ভীষণ প্রভাব ফেলে। এদের  কেউ কেউ প্রাথমিকভাবে নিজের ও অভিভাবকের আয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ে থাকে। নিজের আয় বা অভিভাবকের কাছ থেকে টাকা পাওয়া বন্ধ হয়ে গেলে পরিচিত জনদের কাছ থেকে তারা ধার নিতে শুরু করে। এটাও যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন ছিনতাই, চুরিসহ নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে মাদকাসক্তরা এমন সব কর্মকান্ড করে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব সমগ্র সমাজের ওপর ভীষণভাবে বর্তায়।

এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় পুরো সমাজকে। মাদকাসক্তির কুপ্রভাবে পরিবার ও সমাজজীবনে অস্থিরতা বিরাজ করে। সামাজিক জীবনে উচ্ছৃঙ্খলতা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, ধর্ষণ, হত্যাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও বেআইনি কর্মকান্ডের অন্যতম কারণ মাদকাসক্তি। ফলে সমাজে মানবিক মূল্যবোধ, সম্প্রীতির বন্ধন ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাদকবিরোধী আইন ও তার প্রয়োগ রয়েছে, কিন্তু আমাদের দেশে আইন থাকলেও তার সুষ্ঠু প্রয়োগ না থাকায় মাদকদ্রব্যের চাহিদা ও সরবরাহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতি কোথায় গেছে তা এই চিঠির মাধ্যমে বলে বোঝানো সম্ভব হয় না। মাদকাসক্তি যেন ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে সমাজে। ফলে এখনই যদি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না যায়, তাহলে সামনে ঘোর বিপদ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।