× Banner
সর্বশেষ
রপ্তানিতে ৬৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য নির্ধারণ, ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশা নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছে সরকার – ভারপ্রাপ্ত স্পিকার চাকরি না খুঁজে কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী হোন – মির্জা ফখরুল দক্ষিণ কোরিয়া ও আরব আমিরাতের সঙ্গে এফটিএ আলোচনা শেষ পর্যায়ে – বাণিজ্যমন্ত্রী আগামী বিশ্বকাপে বিজ্ঞাপন থেকে বড় মুনাফার লক্ষ্য সরকারের: তথ্যমন্ত্রী কৃষিভিত্তিক শিল্প ও অ্যাগ্রো বিজনেসে তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার আহ্বান সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের গৌরবময় ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরলেন পর্যটনমন্ত্রী বাংলাদেশকে উদ্ভাবননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্য সরকারের: প্রযুক্তিমন্ত্রী আবহাওয়ার সতর্কবার্তাবঙ্গোপসাগরে সুস্পষ্ট লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৭ জুলাই থেকে শুরু ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন, ২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন

মাদকাসক্তি

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬

মো. আমির সোহেল: মাদকাসক্তিদের কর্মকান্ড পরিবার ও সমাজে প্রত্যক্ষভাবে ভীষণ প্রভাব ফেলে। এদের  কেউ কেউ প্রাথমিকভাবে নিজের ও অভিভাবকের আয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ে থাকে। নিজের আয় বা অভিভাবকের কাছ থেকে টাকা পাওয়া বন্ধ হয়ে গেলে পরিচিত জনদের কাছ থেকে তারা ধার নিতে শুরু করে। এটাও যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন ছিনতাই, চুরিসহ নানা অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয়। একপর্যায়ে মাদকাসক্তরা এমন সব কর্মকান্ড করে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব সমগ্র সমাজের ওপর ভীষণভাবে বর্তায়।

এতে দুর্ভোগ পোহাতে হয় পুরো সমাজকে। মাদকাসক্তির কুপ্রভাবে পরিবার ও সমাজজীবনে অস্থিরতা বিরাজ করে। সামাজিক জীবনে উচ্ছৃঙ্খলতা, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, অপহরণ, ধর্ষণ, হত্যাসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী ও বেআইনি কর্মকান্ডের অন্যতম কারণ মাদকাসক্তি। ফলে সমাজে মানবিক মূল্যবোধ, সম্প্রীতির বন্ধন ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মাদকবিরোধী আইন ও তার প্রয়োগ রয়েছে, কিন্তু আমাদের দেশে আইন থাকলেও তার সুষ্ঠু প্রয়োগ না থাকায় মাদকদ্রব্যের চাহিদা ও সরবরাহ দিন দিন বেড়েই চলেছে। পরিস্থিতি কোথায় গেছে তা এই চিঠির মাধ্যমে বলে বোঝানো সম্ভব হয় না। মাদকাসক্তি যেন ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে সমাজে। ফলে এখনই যদি এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া না যায়, তাহলে সামনে ঘোর বিপদ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..