মহাজোট সরকারের আমলে শার্শার মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষার উন্নতি বাল্য বিবাহ কমেছে

বেনাপোল প্রতিনিধিঃঃ ক্ষমতাশীন মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর শার্শা উপজেলায় শিক্ষার মান উন্নয়ন হয়েছে দ্বিগুন। শিক্ষার মান উন্নত করতে প্রত্যেকটি স্কুলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষায় অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। ঝরে পড়া কমেছে এবং ফলাফলে অধিকতার সাফল্য ও বাল্য বিবাহ রোধ।

জানা যায়, মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষকদের এমপিও, টাইম স্কেল ও বিএড স্কেল প্রদান, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপনপূর্বক ডিজিটাল কনটেন্ট এর মাধ্যমে পাঠদান, শিক্ষকদের পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদান, পিবিএম বাস্তবায়ন, উপজেলা পর্যায়ে সেসিপ প্রোগ্রাম এর আওতায় উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার। এর পদ সৃষ্টি সহ নিবিড় মনিটরিং এর ব্যবস্থা গ্রহন। এছাড়াও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ল্যাব স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষাকে ডিজিটালাইজড করার উদ্দ্যোগ গ্রহন করা হয়েছে। পাশাপাশি শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোপাল চন্দ্র মজুমদার তার কর্মদক্ষতার মাধ্যমে সরকারের পরিকল্পিত শিক্ষাকার্যক্রম মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করছেন।

সময়মত বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেয়ার জন্য তিনি তার উদ্ভাবনী কৌশল অবলম্বন করে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সেকায়েপ ও সেসিপ প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্পের কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য তিনি দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এর সহায়তায় নিয়মিত প্রতিষ্ঠান গুলো পরিদর্শন করে উদ্ভূত সমস্যা সমূহ দূর করার চেষ্টা করছেন।

শিক্ষার্থীদের মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদান, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম পরিদর্শন, ব্যানবেইস, আইএমএস, এবং সেকায়েপ এর জরিপ কার্য সম্পন্ন করার জন্য প্রতিবছর নিয়মিত ইন্টারনেট এ ডাটা আপডেট দিচ্ছেন এমনকি উপজেলার বিভিন্ন জাতীয় দিবস গুলোতে গুরুত্বপূর্ন দ্বায়িত্ব দক্ষতার সাথে পালন করেন। আন্তর্জাতিক দিবস সমূহ উৎযাপন করার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করে থাকেন।

শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদের বলেন, শার্শা আসনের মাননীয় সাংসদ শেখ আফিল উদ্দিন শিক্ষার মান উন্নায়ন করতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মা সমাবেশ, কৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান, অভিভাবকদের সন্মাননা প্রদান, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদান, প্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারী নির্মান, প্রধান ফটক নির্মান, খেলার মাঠের ব্যবস্থা করেছেন। শিক্ষার্ক্ষীদের লেখা পড়ায় মনোযোগী করতে শ্রেনী কক্ষে ফ্যান লাগানো হয়েছে। পরীক্ষায় ভাল ফলাফলের জন্য প্রত্যেক স্কুলে জেনারেটর দিয়ে নাইট কোচিং চালু করা হয়েছে।

শার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোপাল চন্দ্র মজুমদার বলেন, নিজ অফিস সহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্টান দুর্নীতিমুক্ত রাখতে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। শিক্ষার মান উন্নায়ন করতে বিদ্যালয়ে মা সমাবেশ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। উপবৃত্তিসহ শিক্ষা উপকরণ প্রদান করায় ঝরে পড়া কমেছে। এমপিও ভূক্ত বিদ্যালয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য মাল্টিমিডিয়ার আওতায় আনা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতাই বাল্য বিবাহ রোধ অভিযান অভ্যাহত রয়েছে।

ট্যাগ অভিভাবকদের সন্মাননা প্রদানআইএমএসউচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক পর্যায়ে উপবৃত্তি প্রদানউপজেলা পর্যায়ে সেসিপ প্রোগ্রামকৃতি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদানক্ষমতাশীন মহাজোট সরকারখেলার মাঠের ব্যবস্থাডিজিটাল কনটেন্ট এর মাধ্যমে পাঠদানপিবিএম বাস্তবায়নপ্রতিষ্ঠানের বাউন্ডারী নির্মানপ্রধান ফটক নির্মানবাল্য বিবাহব্যানবেইসমহাজোট সরকারমা সমাবেশমাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোপাল চন্দ্র মজুমদারমাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম পরিদর্শনশার্শা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতিশিক্ষক সমিতির সভাপতি আব্দুল কাদেরশিক্ষকদের পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ প্রদানশিক্ষার্থীদের মাধ্যমিকশিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ প্রদানসরকারের আমলে বাল্য বিবাহ কমেছে

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।