মণিরামপুরে ঘোড়ার গাড়িতেই চলছে জীবন-জীবিকা

এম এস আর মিরাজ,যশোর : এক সময় যাতায়াতের একমাত্র বাহন ঘোড়ার গাড়ির এতিহ্য ধরে রেখেছেন যশোরের মণিরামপুরের ছয় জন। কোনো এক সময় ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে রাজা-বাদশাহ কিংবা জমিদার, গাতিদার, বনেদি পরিবারের লোকজন যাতায়াত করতেন। সেসময় রাস্তাঘাট উন্নত ছিলো না। এখন সময় পাল্টিয়েছে। রাস্তা-ঘাটসহ মানুষের জীবনে আধুনিকতার ছোঁয়া। এখন ঘোড়ার গাড়ি হয়ে উঠেছে জীবন-জীবিকার বাহন। ঘোড়ার গাড়িতেই জীবন-জীবিকা চলছে মাসুম বিল্লাহ, ওলিয়ার হোসেন, শাহাজাহান আলী, ফজর আলী, রেজাউল ইসলাম ও আমির আলীর।
মৌসুমি ফসল ঘরে তুলতে, কাঠসহ নানা জিনিস বহনে ঘোড়ার গাড়ির কদর থাকায় ওরা এখন সবার পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছে। শুধু ফসল কিংবা দ্রব্যাবি বহন নয়, পিকনিক মৌসুমেও তাদের কদর দেখা হয়। প্রতিবছর ঘোড়ার গাড়ি সাজিয়ে দলবেঁধে পিকিনিক যায় আনন্দ প্রিয় মানুষ।ফজর আলী বলেন, বছর চারেক আগে বন্যার পানিতে এলাকার রাস্তা-ঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। ভ্যান বা আলমসাধু, নছিমন-করিমন রাস্তায় চালানো দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে। তারাও বেকার হয়ে পড়েন। সংসার চালানো কষ্টকর হয়ে পড়ে। তাই বাধ্য হয়ে ঘোড়ার গাড়ি চালানো শুরু করেন।
মাসুম বলেন, মূলতঃ একারনেই ঘোড়ার গাড়িতে ঝুকে পড়েন। তারা সাধারনত একসাথেই কাজ করেন। প্রতিদিন এভাবে ৫শ’ থেকে ৮শ টাকা রোজগার করেন তারা। যেখানে ভ্যানগাড়ি বা অন্য যানবাহন যেতে পারে না। সেখানে অনায়াসে ঘোড়ার গাড়ি যেতে পারে বলে এলাকায় বেশ বেশ কদর রয়েছে। যা দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
Kishori
লেখক / প্রতিবেদক

Kishori

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।