× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

বেগম খালেদা জিয়ার সাজার মেয়াদ বাড়লো

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৩০ অক্টোবর, ২০১৮

বিশেষ প্রতিবেদকঃ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায়  বেগম খালেদা জিয়ার সাজা ৫ বছর বাড়িয়ে ১০ বছরের আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। নিম্ন আদালতে এই মামলার রায় হয়েছিল ৫ বছরের সাজা।এ মামলায় তারেকসহ বাকিদের ১০ বছরের সাজা বহাল করেছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।বিচারিক আদালতের দেয়া পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া আপিল করেছিলেন। অপর দিকে খালেদা জিয়ার সাজা বাড়াতে দুদকের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়। আপিলের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট আজ খালেদা জিয়ার সাজা ১০ বছর করেছেন।

মঙ্গলবার রায় ঘোষণার সময় আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে কোনো আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।দুদক আইনজীবী খুরশিদ আলম বলেন, এ মামলা খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল হয়ে যাবে। তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না।দুদক আইনজীবী  বলেন, তিনি এ মামলার মুখ্য আসামি এ জন্য তাকে ১০ বছর সাজা দেয়া হয়েছে।

এ মামলায় গত ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে খালেদা ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমানকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কারা হেফাজতে বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চিকিৎসা বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ মামলায় গত ২০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদা জিয়ার পক্ষে রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হয়। গত ১২ জুলাই হাইকোর্টে আপিল শুনানি শুরু হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..