× Banner
সর্বশেষ
এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকট নয়াদিল্লিতে ফের উত্তেজনা, বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত ৫ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় ফের বাড়ল তেলের দাম, ব্রেন্ট ছাড়াল ৯৬ ডলার হাম ও ডেঙ্গুর দ্বৈত আতঙ্কে দেশ, বাড়ছে শিশু ও সাধারণ মানুষের ঝুঁকি দেশের ১০ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ো হাওয়া র পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত চীনের ১ লাখ ডলার সহায়তা: বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৬ শ্রাবণ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন

বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব ফারাক্কা সরানোর

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০১৬

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিহার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে বহুল বিতর্কিত ফারক্কা বাঁধ  সরানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে দেখা করে এ প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি।

বিবিসি বাংলা ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, বিহারের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার। এসময় তিনি মোদিকে জানান, ফারাক্কা বাঁধের কারণে গঙ্গায় বিপুল পরিমাণ পলি জমছে। আর এ কারণে প্রতিবছর বিহারে বন্যা হচ্ছে। এর একটা স্থায়ী সমাধান হলো ফারাক্কা বাঁধ তুলে দেওয়া।

ফারাক্কা নিয়ে বাংলাদেশের আপত্তি বহুদিন ধরেই। কিন্তু ভারতের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও মুখ্যমন্ত্রী এই প্রথম ফারাক্কা বাঁধ প্রত্যাহারের দাবি তুললেন।

৪১ বছর আগে গঙ্গার ওপর যখন ফারাক্কা বাঁধ চালু করা হয়, তখন এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জলপ্রবাহের একটা অংশ হুগলী নদীতে চালিত করে কলকাতা বন্দরকে পুনরুজ্জীবিত করা। তবে সে উদ্দেশ্য পুরোপুরি সফল না হলেও ফারাক্কার জেরে গঙ্গার উজানে যে পলি পড়া শুরু হয়েছে, তারে জেরে প্রতি বছরই বর্ষা মৌসুমে বন্যাকবলিত হয়ে পড়ছে বিহার ও উত্তরপ্রদেশের একটি বিস্তীর্ণ অংশ।

বৈঠকের আগে নীতিশ কুমার সাংবাদিকদের বলেন, ‘আগে যেসব পলি নদীর প্রবাহে ভেসে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়ত, এখন ফারাক্কার কারণে সেগুলোই নদীর বুকে জমা হয়ে বন্যা ডেকে আনছে। তাই আমি ১০ বছর ধরে বলে আসছি, এই পলি ব্যবস্থাপনা না করলে বিহার কিছুতেই বন্যা থেকে পরিত্রাণ পাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো পয়সা চাই না, কিন্তু চাই কেন্দ্রীয় সরকার বা তাদের সংস্থাগুলো এসে দেখুক কীভাবে এই পলি সরানো যায়। এর একটা রাস্তা হতে পারে ফারাক্কা বাঁধটাই সরিয়ে দেওয়া। আর আপনাদের কাছে বিকল্প কোনো প্রস্তাব থাকলে সেটাও অনুসরণ করে দেখা যেতে পারে।’

বিবিসি বাংলা জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বিহার সরকারের পক্ষ থেকে একটি চার্টও তুলে দেওয়া হয়েছে। এতে ফারাক্কা তৈরি হওয়ার আগে ও পরে বিহারে গঙ্গা নদীর গভীরতা বা নাব্যতা কতটা কমেছে সেই পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..