× Banner
সর্বশেষ
স্বামীকে ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে নতুন জীবনের স্বপ্ন, ট্রেনের নিচে তরুণী জনগণের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান ৫০০ টাকার বিনিময়ে চুল বিক্রি, দুই সন্তানকে নিয়ে রেললাইনে রেহানা ক্ষুদ্র-মাঝারি শিল্পের অবদান ৬০ শতাংশে নিতে হবে – শিল্পমন্ত্রী মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে কর্মসংস্থান বাড়াতে কাজ করছে সরকার – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু যশোর সিমান্ত এলাকায় বিজিবি অভিযানে মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান পণ্যসহ আটক-১ বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হবে – ত্রাণমন্ত্রী হাওরে বাড়বে মাছের অভয়াশ্রম, ইজারা প্রথা বাতিলের উদ্যোগ – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী তরুণদের নেতৃত্বেই টেকসই হবে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন – তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী বেনাপোল ইমিগ্রেশন পরিদর্শনে এসবি প্রধান, যাত্রী হয়রানি বন্ধের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বশান্তি ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ – প্রধানমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
বিশ্বশান্তি ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ - প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা ও মানবিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম একটি অনন্য উদ্যোগ।

বিশ্বের সকল শান্তিরক্ষীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, সংঘাত, সহিংসতা ও মানবিক সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনতে শান্তিরক্ষীরা অত্যন্ত সাহস, ধৈর্য ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছেন।

দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যেসব সাহসী শান্তিরক্ষী আত্মত্যাগ করেছেন তাদেরকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে তাদের এই আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত শান্তিরক্ষী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে আসছে। এদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পেশাদারিত্ব, দক্ষতা ও মানবিক মূল্যবোধের পরিচয় দিয়ে দেশের সুনাম বৃদ্ধি করেছেন। তাদের এই দায়িত্বশীল ভূমিকা আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের নারী শান্তিরক্ষীরাও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, দক্ষতা, নেতৃত্ব ও পেশাগত সক্ষমতার মাধ্যমে নারী শান্তিরক্ষীরাও বিশ্বব্যাপী প্রশংসা অর্জন করেছেন। এটি নারীর ক্ষমতায়ন এবং বাংলাদেশের উন্নয়নের একটি উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি।

পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা ও সহনশীলতার ভিত্তিতে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলা সম্ভব বলে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতিসংঘের উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখবে। শান্তি, মানবতা ও সম্প্রীতির মূল্যবোধ ধারণ করে একটি উন্নত ও নিরাপদ পৃথিবী গঠনে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..