× Banner
সর্বশেষ
বাহাদুরপুর ইউপি চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় আসাদুজ্জামান আসাদ প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের আমন্ত্রণ পর্যালোচনা করছে সরকার – পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুন্দরবনের বাঘ ও আবাসস্থল রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর – পরিবেশমন্ত্রী দেওয়ানি মামলার জট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার – আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভূমিকম্প বিষয়ক প্রস্তুতি সভা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভুবন ভোলানো হাসিতে মন জয় করা তাহসিনের সাক্ষাৎ ব্রুনাইয়ে বাংলাদেশি শ্রমিকদের আরও কর্মসংস্থানের সুযোগ চান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রকল্পের টাকা জনগণের, এক টাকার অপচয়ও সহ্য করা হবে না: তথ্যমন্ত্রী হাসপাতাল থেকে রোগী ভাগানো দালাল চক্র ও সিজার বাণিজ্য স্থায়ীভাবে বন্ধ হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়া সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার: মীর শাহে আলম

দেবাশীষ মুখার্জী, কূটনৈতিক প্রতিবেদক

বিশ্বব্যাংকের সতর্কতা, বাড়ছে না দক্ষিণ এশিয়ায় তরুণদের কাজের সুযোগ

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৪
world bank

বিশ্বব্যাংক সতর্ক করে বলেছে, ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো তরুণদের জন্য যথেষ্ট কাজের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারছে না, যা ওই অঞ্চলের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। মঙ্গলবার যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্বব্যাংক বলছে, গত বছর দক্ষিণ এশিয়ার বেকারত্বের হার ছিল ৫৯ শতাংশ, যেখানে বিশ্বের অগ্রসরমান অন্য বাজারগুলোতে এ হার ৭০ শতাংশ। শুধু দক্ষিণ এশিয়াই এমন একটা অঞ্চল, যেভাবে গত দুই দশকে কর্মক্ষম মানুষের হার কমেছে। অর্থনীতিবিদ ফ্রানজিসকা হনসরজে বলেন, যেসব কর্মী কৃষি ছাড়ছেন, ব্যক্তিমালিকানাধীন কোম্পানিগুলো তাদের প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং অন্যান্য সেবায় তাদের কাজে নিয়োগ দিতে পারছে না। নারীদের কর্মক্ষেত্রে কম সুযোগ আরেকটি চ্যালেঞ্জ। ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেরই চাকরি করা নারীর সংখ্যা বিশ্বে সর্বনিম্ন, যা ৪০ শতাংশেরও নিচে। ফ্রানজিসকা হনসরজে বলেন, একটি চাকরি উপার্জনের চেয়েও অনেক বেশি কিছু।

বিশ্বব্যাংক বলছে, আগামী দুই বছরে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানসহ দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতি বিশ্বের যে কোনো অঞ্চলের চেয়ে দ্রুত অগ্রসর হবে। এ প্রবৃদ্ধির হার চলতি অর্থবছরে হবে ৬ শতাংশ;  ২০২৫ সালে তা হবে ৬ দশমিক ১ শতাংশ। গত বছর ভারত চীনকে অতিক্রম করে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল ১৪০ কোটি মানুষের দেশ হয়েছে। ভারতের অর্থনীতি অগ্রসরমান। তবে বিশ্বব্যাংক মনে করে, অঞ্চলটির বেকারত্বের হার বাড়ছে এবং চাকরি ক্ষেত্রে কর্মক্ষম বয়সী মানুষের সংখ্যা কমছে। এটা ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার একটি দেশে তরুণদের জন্য একটি দেশ যথেষ্ট কাজের ক্ষেত্র তৈরি করতে পারছে না বলে ইঙ্গিত করে। দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ফ্রানজিসকা হনসরজে বলেন, এটা সুযোগের যথার্থ ব্যবহার নয়। এতে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্টের অপচয় হচ্ছে।

ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড হচ্ছে, যখন একটি দেশের বেশির ভাগ জনসংখ্যাই কর্মক্ষম বয়সের মাঝে অবস্থান করে। জাতিসংঘের জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপি) প্রদত্ত সংজ্ঞা অনুযায়ী, যখন কোনো দেশের কর্মক্ষমহীন মানুষের চেয়ে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বেশি থাকে এবং সেটা যখন অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখে, তখনই তাকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বলা হয়। এখানে কর্মক্ষম মানুষের বয়স ধরা হয়েছে ১৫ থেকে ৬৪ বছর।

ভারতের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশ্বব্যাংকের এ প্রতিবেদন এলো। এতে দেশটির বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার বিব্রত অবস্থায় পড়তে পারে। কারণ, কংগ্রেসসহ বিরোধী দলগুলো নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তরুণদের চাকরি দিতে ব্যর্থতার অভিযোগ করে আসছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..