× Banner
সর্বশেষ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই যোদ্ধাকে অটোরিকশা-রিকশা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী রাতের আধাঁরে সামাজিক বনায়নের গাছ লুট বাঁশখালীকে বন্যা মুক্ত করতে টেকসই বেড়িবাঁধ ও খাল পুনঃখননের আশ্বাস ত্রাণমন্ত্রীর চিকিৎসকদের পেশাদারিত্বে রাজনীতি যেন প্রভাব না ফেলে: প্রধানমন্ত্রী ফের গ্রেফতার তনু হত্যায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি করলেই কঠোর ব্যবস্থা – আইনমন্ত্রী গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেছেন জামায়াত আমির – রাশেদ খান সাড়ে ৬ বছরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত ১৫ হাজার ৭১২ জন বেনাপোল পৌরসভায় যুবদল নেতা ইমদাদুল হক ইমদাদের গণসংযোগ ও মতবিনিময় নাটোরের ঐতিহ্যকে সারা বিশ্বে তুলে ধরতে চাই – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী

ডেস্ক

বিশ্বজুড়ে নজিরবিহীনভাবে কমেছে সন্তান জন্ম দেওয়ার হার

Kishori
হালনাগাদ: বুধবার, ১১ জুন, ২০২৫
সন্তান জন্ম দেওয়ার হার

বিশ্বজুড়ে সন্তান জন্ম দেওয়ার হার নজিরবিহীনভাবে কমে গেছে। জরিপে অংশ নেওয়া বেশির ভাগ মানুষ দুই বা ততোধিক সন্তান চান। কিন্তু তাঁরা কাঙ্ক্ষিত পরিবার গড়তে পারছেন না। এটাই প্রকৃত সংকট বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ)এর প্রধান নাতালিয়া কানেম।

ইউএনএফপিএ ১৪টি দেশের ১৪ হাজার মানুষের ওপর সন্তান নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা নিয়ে জরিপ চালিয়েছে। পাঁচজনের মধ্যে একজন বলেছেন, তাঁদের কাঙ্ক্ষিতসংখ্যক সন্তান হয়নি বা তাঁরা সন্তানের আশাও করেননি। থাইল্যান্ড, হাঙ্গেরি, দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালি, জার্মানি, সুইডেন, ব্রাজিল, মেক্সিকো, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, ইন্দোনেশিয়া, মরক্কো, নাইজেরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকায় জরিপটি করা হয়েছে।

বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক–তৃতীয়াংশ এসব দেশে বসবাস করে। এর মধ্যে নিম্ন, মধ্য ও উচ্চ—তিন ধরনের আয়ের দেশ রয়েছে। জরিপ করা হয়েছে, তরুণ প্রাপ্তবয়স্ক ও প্রজননের সময়মীমা পেরিয়ে গেছে—এমন মানুষের মধ্যে।

সব দেশ মিলিয়ে জরিপে অংশ নেওয়া ৩৯ শতাংশ মানুষ বলেছেন, আর্থিক সীমাবদ্ধতায় তাঁরা কাঙ্ক্ষিত সংখ্যায় সন্তান নিতে পারেননি। এই হার সবচেয়ে বেশি দক্ষিণ কোরিয়ায়, ৫৮ শতাংশ। সবচেয়ে কম সুইডেনে, ১৯ শতাংশ।

অন্যদিকে কাঙ্ক্ষিত সংখ্যায় সন্তান না নিতে পারার পেছনে জন্মদানে অক্ষমতাকে দায়ী করেছেন ১২ শতাংশ মানুষ। একক দেশ হিসেবে এই হার কয়েকটি দেশে বেশি। যেমন থাইল্যান্ডে ১৯ শতাংশ, যুক্তরাষ্ট্রে ১৬ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকায় ১৫ শতাংশ, নাইজেরিয়ায় ১৪ শতাংশ এবং ভারতে ১৩ শতাংশ।

সংস্থাটির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের মুম্বাইয়ে বসবাস করেন নম্রতা নানগিয়া। স্বামী আর পাঁচ বছরের এক মেয়ে সন্তানকে নিয়ে তার সংসার। মেয়ের জন্মের পর থেকেই তারা আরেকটি সন্তান নেওয়ার কথা ভাবছিলেন। কিন্তু ভাবনা জেঁকে বসে মনে, খরচ বহন করা সম্ভব হবে কি?

একটি ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিতে কাজ করেন নম্রতা। তার স্বামী কাজ করেন একটি টায়ার কোম্পানিতে। ছোট্ট এই সংসারে একটি সন্তানের লালনপালনের খরচ ক্রমেই অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে।

সন্তানের বিদ্যালয়ের ফি, স্কুলবাসের খরচ, সাঁতারের ক্লাসের উচ্চ ব্যয়ভার জোগাতে হয়। কিন্তু নম্রতা নিজে যখন বেড়ে উঠেছেন, তখন এত বেশি খরচ হতো না।

নম্রতা বলেন, আমরা তখন শুধু বিদ্যালয়েই যেতাম। সহপাঠ্য বলে কিছু ছিল না। কিন্তু এখন সন্তানকে সাঁতার শিখতে পাঠাতে হয়। ছবি আঁকার ক্লাসে পাঠাতে হয়। খেয়াল রাখতে হয়, ওরা আর কী কী করতে পারে।

সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, নম্রতা যে পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন, এটা ক্রমেই একটি বৈশ্বিক ধাঁচ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..