বিমানের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রস্তুতি

হয়রানির প্রতিবাদে বিমানের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ঢাকা কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন। সংগঠনটির সেক্রেটারি মো: শরীফুল ইসলাম  এই আন্দোলনের কথা জানান।

তিনি বলেন, কাস্টমস শুল্ক দেওয়ার পর বিমানের গোডাউনের ভাড়া দিয়ে পণ্য নিয়ে যাওয়ার নিয়ম থাকলেও একাধিক টেবিল বসিয়ে অসাধু উদ্দেশ্যে বিমান কর্মকর্তারা এজেন্টদের হয়রানি করছেন। তারা নানা জটিলতা তৈরি করে সিআর (ক্যাশ রিসিট) কাটেন না। আর সিআর না কাটলে আমরা পণ্য বাইরে নিয়ে যেতে পারিনা। তাদের হয়রানির কারণে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কোনো এজেন্ট তাদের পণ্য বাইরে বের করে নিয়ে যেতে পারেননি।

তিনি বলেন, যদি বিমান বাংলাদেশ অতি সত্তর এই সমস্যা সমাধান না করে তাহলে আমরা অতি শ্রীঘ্রই এই আন্দোলনে যাবো।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ থেকে জানা যায়, বিমান বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ কার্গো ইমপোর্ট শাখায় প্রায় ২৩টি টেবিল বসিয়েছে। এসব টেবিলে বিমান বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বসেন। প্রতি টেবিলে ২০ টাকা থেকে শুরু করে ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেয়া হয় আমদানিকারকদের কাছ থেকে।

এসব বিষয়ে বিমান বাংলাদেশ এর আমদানি শাখার ম্যানেজার আজিজুর রহমানের যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি এসব বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাই না। আমি বিমান বাংলাদেশের মুখপাত্র নই।

কাস্টমস এজেন্টদের ক্ষোভের সত্যতার জানা যায় ঢাকা কাস্টমস হাউজের ডেপুটি কমিশনার শহীদুজ্জামান সরকারের কথায়ও।
তিনি বলেন, ঢাকা কাস্টম এজেন্ট এর প্রতিনিধিরা সকাল থেকেই আমাদের সঙ্গে কয়েকবার কথা বলেছেন। তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বিমান বাংলাদেশের কর্মকর্তারা কোনো সিআর কাটেনি। ফলে কোনো পণ্য বাইরে নিয়ে যেতে পারেনি আমদানিকারকরা। তবে গতকালের কাটা সিআর পণ্যের কিছু অংশ আমদানিকারকরা নিয়ে গেছেন। বিমান বাংলাদেশের সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করলে তারা জানিয়েছেন, তাদের সার্ভারে সমস্যা। তাছাড়া এজেন্টদের ক্ষোভের বিষয়ে জানালে তারা কোনো সাড়া দেয়নি।

প্রতিদিন গড়ে ৫ হাজার কনসাইনমেন্ট বাংলাদেশে আসে বলে জানা যায় কার্গো হাউজ থেকে।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।