× Banner
সর্বশেষ
বিএফটিআই হবে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য গবেষণার জাতীয় থিংক ট্যাংক -বাণিজ্যমন্ত্রী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ, এমপিও শিক্ষক ও ঋণখেলাপিরা অযোগ্য মোদির পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে কংগ্রেসের বিক্ষোভ, শিক্ষার্থী আন্দোলনে পুলিশি ব্যবহারের প্রতিবাদ আট অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির সতর্কতা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ভ্যালু-বেইজড শিক্ষা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ-প্রাথমিক শিক্ষার নতুন অগ্রাধিকার -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য হয়রানীমুক্ত বিমান সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধ পরিকর -বিমান মন্ত্রী ২০২৭ সালের হজে বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা লক্ষ্মীপুরে সড়ক সংস্কার কাজে দায়িত্বে অবহেলায় ৪ পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ করার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর  গৃহবধু লামিয়া আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় শ্বশুর ও দুই ননদ গ্রেফতার

বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভোগান্তিতে ঠাকুরগাঁও শহরবাসী

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ২৩ মে, ২০১৬

আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ঠাকুরগাঁও শহরবাসী। মিটার রির্ডাররা বাড়ি এসে মিটার দেখে বিল না করায় প্রতিমাসে ব্যবহার করা ইউনিটের চেয়ে বেশি বা কম হারে বিল পরিশোধ করছেন গ্রাহকরা। ফলে অতিরিক্ত বিল পরিশোধে বাধ্য হচ্ছেন তারা। গত দুই মাসে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ের অনেক গ্রাহক এ সমস্যার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ঠাকুরগাঁওয়ে বর্তমানে ২৬ হাজার গ্রাহক আছে পৌরসভায়। তার বিপরীতে সরকারীভাবে মিটার রির্ডার ৩ জন। তাই এই ৩ জন দিয়ে এত মিটার দেখা সম্ভব নয় বলে জানান বিদ্যুৎ অফিসের কর্মকর্তারা।

গ্রাহকদের অভিযোগে জানা যায়, বিদ্যুৎ বিলের কাগজে লেখা ইউনিটের সঙ্গে মিটারের ইউনিটের কোনো মিল পাওয়া যায় না। যে পরিমাণ বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হয় তার চেয়ে বিলের টাকার পরিমাণ অনেক সময় বেশি লেখা থাকে। এ ছাড়া বিদ্যুৎ বিলের টাকা পরিশোধ করা হলেও লাইনম্যান মিটার থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার ঘটনার উপক্রম হয়েছে। আদৌ কোনো বিল রিডার গ্রাহকদের মিটার দেখে বিল লিখেন না বলেও জানা যায়।

এছাড়াও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, মিটার রিডারকে টাকা দিলে তারা প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল কম করে দেয়। বিভিন্ন বাড়িতে অটো চার্জার চার্জের জন্যও অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতেও সহযোগিতা করে থাকে এসব মিটার রিডাররা। আবার মিটার রির্ডার কম হওয়ায় নিয়োগ প্রাপ্ত রির্ডাররা তাদের সহযোগিতার জন্য নিজ উদ্যোগে মিটার রির্ডারের নিয়োগ দিয়ে থাকে।

ঠাকুরগাঁও হাজিপাড়ার বাসিন্দা নাজমুল ইসলাম জানান, মিটার রিডাররা মিটার দেখে ইউনিট না লেখায় সারা বছরের ব্যবহৃত বিদ্যুৎ ইউনিটের অবশিষ্ট ইউনিটগুলো গ্রাহকদের বিদ্যুৎ বিলের কাগজে তুলে দেয়া হয়। হঠাৎ করে বেশি টাকা বিদ্যুৎ বিল আসায় গ্রাহকদের চোখ কপালে উঠে যায়।

ঠাকুরগাঁও আশ্রমপাড়া এলাকার বাসিন্দা মনসুর আলী জানান, মিটার রির্ডাররা মিটার না দেখে বিল দেয়। তাই দেখা যায় কোন মাসে বিল কম আসে আবার কোন মাসে বেশি আসে। এতে বিল দিতে আমাদের মতো সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার হতে হয়।

ঠাকুরগাঁও বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ উপ-প্রকৌশলী মুক্তা মনি জানান, আমাদের লোকবল খুবই কম। প্রতি মাসে মিটার দেখে মিটার রিডারদের ইউনিট লিখার নিয়ম থাকলেও সেটা অনেক সময় সম্ভব হয় না। সে কারণে অনুমান করে বিদ্যুৎ বিলের কাগজে ইউনিট লিখা হয়। এতে কম বেশি হতে পারে। কোনো গ্রাহকের এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকলে তারা অফিসে আসলে বিলের কাগজ ঠিক করে দেয়া হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..