× Banner
সর্বশেষ
দুই দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী নেপালে ধর্মীয় উত্তেজনা: সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো দাবিগুলোর বাস্তবতা আজ ১৮ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ৪ আগস্ট মঙ্গলবারের পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে কোটালীপাড়ায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সাবেক ভিপি ফায়েকুজ্জামানের ফুটবল বিতরণ দানকৃত সম্পত্তি আজীবন ভোগের অধিকার থাকবে দাতার, আইনের সংশোধনী খসড়ায় অনুমোদন বাংলাদেশ-কোরিয়ার অর্থনৈতিক সম্পর্ক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে – বাণিজ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রীর সাক্ষাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করল আইসিআরসি প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা আয়োজনের লক্ষ্যে স্টিয়ারিং কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন: আর্থিক খাতের প্রতি নমনীয়তা

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২১
আর্থিক খাতের প্রতি নমনীয়তা

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে সীমিতসংখ্যক জনবল দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বল্প সময়ের জন্য কার্যক্রম চালানোর কথা বলা হয়েছে। আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনের এই অংশটুকুর ওপর জোর দিতে চাই। প্রতিটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও খাতে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি যাতে যথাযথভাবে পালিত হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ব্যাপারে কোনো ধরনের শৈথিল্য কিংবা অবহেলা কাম্য নয়।

কঠোর বিধিনিষেধের কঠোরতা আরও নমনীয় হয়েছে। গতকাল থেকে আর্থিক খাতের সেবার পরিধি আরও বাড়ানো হয়েছে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে সার্বিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখতেই এই নমনীয়তা। গতকাল থেকে সব ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান সীমিত আকারে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রশাসন বিভাগ মঙ্গলবার রাতে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে বলেছে, বৃহস্পতিবার থেকে ২৪টি বিভাগ খোলা থাকবে, আগে খোলা থাকত সাতটি বিভাগ।

সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলবে এই কার্যক্রম। ব্যাংক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত, শেয়ারবাজারে লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

ওদিকে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো সীমিত আকারে চালু করেছে তাদের কার্যক্রম। আর্থিক খাতের পাশাপাশি শপিংমল ও দোকানপাট খোলারও একটা দাবি উঠেছে। বাংলাদেশ দোকান মালিক সমিতি দেশের দোকানপাট ও শপিংমলগুলো আগামী সোমবার থেকে খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছে। মনে করা হচ্ছে, সোমবার থেকেই খুলে দেওয়া হতে পারে দোকানপাট ও শপিংমল।

সব মিলে দেখা যাচ্ছে, কঠোর বিধিনিষেধের আওতা অনেক কমে এসেছে, ভবিষ্যতে হয়তো আরও কমবে। এটা ঠিক, দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ। উপরন্তু, সামনে ঈদ উৎসব থাকায় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল রাখার বিষয়টি আরও গুরুত্ব বহন করে। সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই হয়তো আর্থিক খাতের সেবার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, বর্তমানে করোনা সংক্রমণের যে অবস্থা, তাতে আর্থিক খাতের প্রতি নমনীয়তা কি পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে পারে? এর উত্তর হচ্ছে, যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে না চললে পরিস্থিতির অবনতি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে।

আমরা অত্যন্ত পরিতাপের সঙ্গে লক্ষ করছি, সমাজের বিভিন্ন স্তরে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করার একটা প্রবণতা রয়েছে অনেকের মধ্যে। এই প্রবণতা বিপজ্জনক। আর্থিক খাতের প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এই প্রবণতা আরও বিপদ ডেকে আনবে, সন্দেহ নেই। আমরা জীবন ও জীবিকা- দুটোই সমান গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে চাই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..